Mamata Banerjee
Bengal Liberty, ৯ জুন: সবুজ ফাইলের ট্রেন্ড শেষ, এবার ট্রেন্ডে নীল ফাইল! আই প্যাকের দফতর থেকে মমতা সবুজ ফাইল নিয়ে গেলেও তাঁরই কার্যালয় থেকে পাওয়া নীল ফাইল এবার সিআইডির হাতে। পুলিশ লেখা গাড়িতে প্রায় ৩০ জন সিআইডি আধিকারিক পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে, উল্টো দিকের পার্টি অফিসেও চলে তল্লাশি। তীব্র বাক বিতণ্ডা শেষে একসাথে তিন জায়গায় তল্লাশি চালান। তল্লাশি শেষে বেরিয়ে আসেন এক গুচ্ছ নথি নিয়ে। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানোর পর বেরিয়ে যান CID আধিকারিকেরা। বেরিয়ে যাওয়ার সময় তদন্তের স্বার্থে কেউ কিছুই বলতে চাননি। তবে আধিকারিকদের হাবভাবে স্পষ্ট ছিল, “কাজ হয়ে গেছে”। তাহলে কি বিস্ফোরক কিছু হাতে এসেছে তদন্তকারীদের?

কী কী নথি হাতে বেরিয়ে আসেন সিআইডি আধিকারিকরা? (Mamata Banerjee)
মঙ্গলবার দুপুর, ঘড়ির কাঁটায় ৩ টে বেজে ১৫ মিনিট, ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট অর্থাৎ তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিসের প্রবল বাধা পেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে প্রবেশ করে প্রায় ৩০ জনের প্রতিনিধি দল (Mamata Banerjee)৷ তদন্ত চালায় মমতার বাড়ির উল্টো দিকে থাকা পার্টি অফিসেও। পাশাপশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও তদন্ত চালায় সিআইডি (CID)। একসাথে তদন্ত শেষে তাঁরা বেরিয়ে আসেন বেশ কিছু নথি নিয়ে। তার মধ্যে ছিল নীল ফাইল, একটি গোলাপি মলাট দেওয়া খাতা তার সাথে নজরে আসে একটি বাদামী ডায়েরি

মমতার সৈনিকরা বাড়ি পাহারা দিলেও কাজের কাজ কি হল? (Mamata Banerjee)
সিআইডির আধিকারিকরা এলাকায় পৌঁছনোর পর তাঁদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। বেশ কিছুক্ষণ ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করার পর মমতার বাড়িতে, বাড়ির উল্টো দিকের পার্টি অফিস এবং অভিষেকের অফিস একযোগে তল্লাশি চালায় সিআইডির আধিকারিকরা। তর্ক বিতর্কে কাজ না হওয়ায় তদন্তকারীদের সাথে ব্যাকআপ দিতে মমতার বাড়িতে ঢোকেন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস এবং বর্তমান লোকসভার সংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং মদন মিত্র। তাঁরা অবশ্য ভেতরে না বাড়ির বাইরে পাহাদার হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তবে এত পাহাড়াও শেষ পর্যন্ত কাজে এল না বলেই বোঝা যাচ্ছে সিআইডি আধিকারিকদের হাবভাবে। কী আছে এই নথিগুলোতে বা কতটাই বা গুরুত্বপুর্ন এই নথি তা ক্রমশ প্রকাশ্য!


