Calcutta High court
Bengal Liberty : বিধানসভা ভোটের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে দানা বাঁধা ক্ষমতার দ্বন্দ্বে এবার অন্য মাত্রা (West Bengal TMC)। দলের ৪৪০ কোটি টাকার তহবিলের দখল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে কালীঘাট বনাম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের লড়াই পৌঁছে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়া এবং দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্ভূত এই জটিলতায় এখন আদালতের রায়ের অপেক্ষায় (West Bengal TMC)।

আইনি লড়াইয়ের মুখে তৃণমূলের বিপুল তহবিল (West Bengal TMC)
বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন শুধু রাজনৈতিক সমীকরণই বদলায়নি, বরং দলের বিশাল আর্থিক তহবিলের মালিকানা নিয়েও তৈরি করেছে বড়োসড়ো প্রশ্ন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন নতুন শিবির নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে আসরে নামার পর থেকেই শুরু হয় টানাপড়েন। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসের অনুরোধে এবং ঋতব্রত শিবিরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে, পুলিশি নির্দেশে বর্তমানে AITC সহ মোট তিনটি অ্যাকাউন্টের প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় দলের অ্যাকাউন্টে ২৬০ কোটি এবং ত্রিপুরা ও গোয়ার অ্যাকাউন্টে ১৮০ কোটি টাকা রয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের টাকার ভবিষ্যৎ এখন পুরোপুরি আইনি বেড়াজালে বন্দি।

জরুরি শুনানির আর্জি ও আদালতের পর্যবেক্ষণ (West Bengal TMC)
তহবিলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল শিবির জরুরি ভিত্তিতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন। কালীঘাট শিবিরের দাবি, কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরেও অরূপ বিশ্বাস যেভাবে ব্যাংককে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানিয়েছেন, তা বিধিসম্মত নয়। অন্যদিকে, আদালতের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ অর্থাৎ পুলিশ, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে আগে নোটিস পাঠাতে হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরই সোমবার অথবা মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত শুনানির সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।


