Ram mandir scam
Bengal Liberty
অযোধ্যার ‘শ্রী রাম জন্মভূমি(Ram mandir scam ) তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সরব হলো কংগ্রেস। শনিবার কলকাতার বিধান ভবনে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠকে এআইসিসি-র (AICC) বর্ষীয়ান নেতা চরণ সিং সাপরা সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বিচারপতির তত্ত্বাবধানে গোটা ঘটনার তদন্তের দাবি জানান।

কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে চরণ সিং সাপরার দাবি(Ram mandir scam)
চরণ সিং সাপরার অভিযোগ, বিষয়টি শুধুমাত্র আর্থিক অনিয়মের নয়, বরং কোটি কোটি রামভক্তের বিশ্বাস ও আবেগের সঙ্গে জড়িত। তাঁর দাবি, যদি কোনও আর্থিক দুর্নীতি হয়ে থাকে, তাহলে তার জন্য কে বা কারা দায়ী, তা দেশের মানুষের জানার অধিকার রয়েছে।
কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, গত কয়েক বছরে ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেন


নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এলেও সেগুলির যথাযথ তদন্ত হয়নি। অনুদানের অর্থ, জমি কেনাবেচা, নির্মাণের বরাত এবং মন্দিরের প্রণামী সংক্রান্ত অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর মতে, বর্তমানে চলা এসআইটি (SIT) তদন্ত যথেষ্ট নয়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির তত্ত্বাবধানে তদন্ত হলে তবেই স্বচ্ছতা ও মানুষের আস্থা বজায় থাকবে।
ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেনের ফরেনসিক অডিটেরও দাবি(Ram mandir scam)
এর পাশাপাশি কংগ্রেসের দাবি, ট্রাস্টের সমস্ত আর্থিক লেনদেন, জমি ক্রয়, নির্মাণ চুক্তি এবং প্রণামীর ফরেনসিক অডিট করতে হবে। তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মিলবে, তাঁদের পদ বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
চরণ সিং সাপরা বলেন, “ভগবান রাম কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নন, তিনি সকল ভক্তের। রাম মন্দির কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফল। তাই এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।” তবে উল্লেখ্য, কংগ্রেসের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে এই অভিযোগগুলি তোলা হলেও সেগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এ বিষয়ে ট্রাস্ট বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনও পক্ষের প্রতিক্রিয়াও এখনও সামনে আসেনি।

