US Iran
Bengal Liberty
কদিন আগেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে(US Iran War) মার্কিন সেনা মারাত্মক হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পাল্টা আঘাত হানল তেহরান। কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পরপর ড্রোন, ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালী(US Iran War)
তীব্র উত্তেজনার মাঝে হরমুজ প্রণালী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। সেখানে কবে নাগাদ স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

মার্কিন হামলা(US Iran War)
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) ইরানের অন্তত ১৪০টি প্রধান সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ এবং সিরিকসহ বিভিন্ন শহরে দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের পাল্টা আক্রমণ(US Iran War)
তেহরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) দাবি করেছে, তারা বাহরাইনের শেখ ঈসা এয়ারবেস এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম ও আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। অন্যদিকে জর্ডান, কাতার এবং ওমানেও ধেয়ে আসা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার খবর পাওয়া গেছে।
ঊর্ধ্বমুখী তেলের বাজার(US Iran War)
গত যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল; চাঙ্গা হচ্ছিল বিশ্ব তেলের বাজারও। কিন্তু সেই চুক্তিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দুই পক্ষই নতুন করে হামলার তীব্রতা মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দুই দেশের এই সংঘাত কবে নাগাদ থামবে, তা এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

