Ethanol Protest
Bengal Liberty: NEET-UG কেলেঙ্কারি ও অন্যান্য ইস্যুতে দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা ককসোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র আন্দোলন এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর বর্তমানে দিল্লির যন্তর মন্তর প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণ শান্ত। তবে মাসব্যাপী এই আন্দোলনের মঞ্চে শুধু শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি নয়, বরং নারী সংরক্ষণ, পেনশন ও চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিও সামনে এসেছিল। এর মধ্যে আগামী দিনে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদের ইস্যু হয়ে উঠতে পারে কেন্দ্রের ইথানল-মিশ্রিত পেট্রল (E20) নীতি।

কেন দানা বাঁধছে ক্ষোভ? (Ethanol Protest)
সরকার গাড়িতে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর যে নিয়ম চালু করেছে, তার ফলে গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষতি হচ্ছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়ছে বলে অভিযোগ মোটরচালক ও পরিবহন মালিকদের। এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইতিমধ্যেই ‘E20 জনতা পার্টি’ নামে একটি নতুন ব্যাঙ্গাত্মক দল তৈরি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী নীতিন গড়করীর পদত্যাগের দাবি উঠেছে।

আগামী দিনের কর্মসূচি (Ethanol Protest)
সিজেপি-র আন্দোলন শেষ হলেও ক্ষোভ থামছে না। আগামী ৩১ জুলাই দিল্লিতে ‘দ্য গাড়ি মার্চ’ (The Gaadi March)-এর ঘোষণা করেছেন তেহসিন পুনাওয়ালা। এছাড়া আগামী ৪ আগস্ট সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে দিল্লি ট্যাক্সি ও ট্যুরিস্ট ট্রান্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সব মিলিয়ে খুব শীঘ্রই গাড়ির জ্বালানি নীতি নিয়ে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে দিল্লির রাজপথ।

