Aishe Ghosh
Bengal Liberty : দিল্লির রাজনীতিতে ফের তুঙ্গে বিতর্ক। ২০২১ সালের একটি মামলায় এসএফআই নেত্রী ও প্রাক্তন জেএনইউএসইউ সভাপতি ঐশী ঘোষকে গ্রেফতার করতে মঙ্গলবার সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় দফতরে পৌঁছয় দিল্লি পুলিশ (Aishe Ghosh)। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিআই(এম)-এর রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাসের অভিযোগ, সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনে ঐশী ঘোষের সক্রিয় ভূমিকার জেরেই তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত নিশানা করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত দিল্লি পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি (Aishe Ghosh)।

যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা ছিল ঐশীর (Aishe Ghosh)
দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও নিট-সহ একাধিক সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তপ্ত ছিল রাজধানী দিল্লি। এই ইস্যুতে গত ২৮ জুন থেকে যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র ব্যানারে অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবিদ সোনম ওয়াংচুক। তাঁর দাবি ছিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সংসদ ভবন অভিযানের আগের দিন আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা চরমে ওঠে। অভিযোগ, যন্তর মন্তর এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় দিল্লি পুলিশ। এরপর বলপ্রয়োগ করে সোনম ওয়াংচুককে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদেই আন্দোলনে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেয় ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (SFI)। সেদিনই যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ। তারপর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে উঠে আসেন ঐশী ঘোষ।

উল্লেখ্য, শনিবার নিট প্রশ্নফাঁসের যাবতীয় দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এক্স হ্যান্ডলে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ রক্ষা করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য এবং গত কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। এ দিন বিকেল তিনটেয় সিজেপির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করেন।
আরও পড়ুন :
Dharmendra Pradhan: ধর্মেন্দ্র প্রধানের দপ্তর বদলের খবর ভিত্তিহীন: বিজেপি

