Us France
Bengal Liberty
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক(Us France) প্রধান ভলকার তুর্কের (Volker Türk) দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে কিছুদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছিল।
একদিকে আমেরিকার দাবি ছিল—বেআইনিভাবে তুর্কের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্সের দাবি—সঠিক নিয়ম মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত(Us France)
জাতিসংঘের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বহু দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।সেই বৈঠকেই এক টেবিলে মুখোমুখি বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের কূটনীতিকেরা। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই আলোচনার পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্কের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্তের কড়া বিরোধিতা করে আমেরিকা। তবে ফ্রান্স সেই অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে আমেরিকার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে। এর পর মুহূর্তেই বৈঠক বর্জন করে বেরিয়ে যান মার্কিন কূটনীতিকেরা। এই ঘটনার পর দুই দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে।

দুই দেশের অবস্থান(Us France)
মার্কিন প্রতিক্রিয়া(Us France)
মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত ড্যান নেগ্রিয়া ফ্রান্সের বক্তব্যকে ‘ভণ্ডামি ও রাজনৈতিক প্রলাপ’ বলে আখ্যা দেন। অন্যদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়ালজ ফ্রান্সকে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের তোষণকারী’ বলে মন্তব্য করেন।
ফরাসি প্রতিক্রিয়া(Us France)
ফ্রান্সের জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফন্ট মার্কিন ওয়াকআউটের সরাসরি জবাব না দিয়ে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি ফ্রান্সের আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
নতুন সংঘাতের আশঙ্কা(Us France)
জাতিসংঘের ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ফরাসি অবস্থানের প্রতিবাদে মার্কিন কূটনীতিকদের ওয়াকআউট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।প্রশ্ন উঠছে—সামনে কি দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান মুখোমুখি আলোচনায় বসবেন, নাকি ভূরাজনীতিতে নতুন করে কোনো সংঘাতের সূচনা হলো? বিশ্বজুড়ে যখন একের পর এক উত্তেজনার পারদ চড়ছে, ঠিক তখনই দুই মিত্র দেশের এই দূরত্বের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে কি না—তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

