Madan Mitra
Bengal Liberty : টানা প্রায় আট ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার রাতে ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতার দাবি করলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। বুধবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে পৌঁছন। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ইডি যে সমস্ত তথ্য ও নথি চেয়েছিল, তার সবই তিনি জমা দিয়েছেন। একইসঙ্গে নিজের ও পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগও কার্যত উড়িয়ে দেন মদন মিত্র (Madan Mitra)।

মদনের বক্তব্য (Madan Mitra)
ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে মদন মিত্র বলেন, তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা যে সমস্ত তথ্য জানতে চেয়েছেন, তার প্রত্যেকটিরই উত্তর তিনি দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “ওরা যা যা জানতে চেয়েছিল, সব জানিয়েছি। লিখিতভাবেও দিয়েছি। সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। যে তথ্য ও নথি চেয়েছিল, সবই দিয়েছি। ডেথ আর বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া সব নথিই জমা দিয়েছি।” নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমি কোনও দুর্নীতি বা বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত নই।” পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন মদন মিত্র। তিনি জানান, পরিবারের প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত ও আলাদা জীবন রয়েছে। তাঁর দুই ছেলে পৃথকভাবে থাকেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর বিশ্বাস, পরিবারের কোনও সদস্যই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। তদন্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে মদন মিত্র বলেন, “আমি রাজনৈতিক অভিসন্ধি দেখছি না। ভারতের যে কোনও নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত করার অধিকার এজেন্সির রয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে একই মামলায় মদন মিত্রের বাড়িতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। অন্যদিকে, সম্প্রতি স্ত্রী ও দুই পুত্রকে ইডির তলবের পর তৃণমূলের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেন মদন মিত্র। এরপর তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছেন বেশ কয়েকবার। ইতিমধ্যেই এই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছে ইডি এবং তাঁর ও পুত্র সমুদ্র বসুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
আরও পড়ুন :
Madan Mitra : কালো চশমা পরেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ‘কালারফুল বয়’ মদন

