Trump Visa Policy
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যের(Trump Visa Policy) তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এবার ভারতীয়দের মন জয় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ-ওয়ানবি (H-1B) ভিসা যাদের পকেটে রয়েছে, তাদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ সহজতর করার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই লক্ষ্যে ১৯২৯ সালের মার্কিন অভিবাসন আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন সেনেট। প্রস্তাবিত এই বিলে বলা হয়েছে, যে সমস্ত অভিবাসী মার্কিন মুলুকে অন্তত সাত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাদেরই গ্রিন কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিমুখী নীতি(Trump Visa Policy)
একদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বারবার অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে। এমনকি ফিফা বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আসা ইরান ও উরুগুয়ে দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ শেষ হতেই আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল সাময়িক শারীরিক ক্লান্তি দূর করার বা রিকভারির সুযোগটুকুও দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, আবার সেই ট্রাম্পই ভারতীয়দের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েও যখন ট্রাম্প দেখলেন ভারত কোনো ধরনের সরাসরি সংঘাত ছাড়াই সুচতুর কূটনৈতিক পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিচ্ছে, ঠিক তখনই এইচ-ওয়ানবি ভিসাধারীদের জন্য এই নতুন বিলের প্রস্তাব আনা হচ্ছে।এখন দেখার বিষয়, নতুন এই বিল বাস্তবায়িত হলে প্রবাসী ভারতীয়দের ঠিক কতটা লাভ হবে।
মেধার বিকাশ ও সুরক্ষা(Trump Visa Policy)
আমেরিকার এই কঠোর ও অনিশ্চিত ভিসা নীতির কারণে দেশের ভেতরেই তরুণ ও দক্ষ প্রকৌশলীদের কাজের সুযোগ উৎসাহিত হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুযোগ সীমিত হয়ে আসায় অনেক দক্ষ ভারতীয় পেশাদার ও বিজ্ঞানী দেশে ফিরে আসছেন এবং দেশের শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
উচ্চপ্রযুক্তি খাতের ব্যাপক অগ্রগতি(Trump Visa Policy)
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মহাকাশ গবেষণা ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মতো মেগা প্রজেক্ট ও দেশীয় মিশনে মেধা ধরে রাখার প্রবণতা এবং প্রতিভাবানদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির বিভিন্ন উন্নত খাতে এখন দেশেই বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। খুব শীঘ্রই মার্কিন কংগ্রেসে এই নতুন বিলটি পেশ করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়— এই বিল কি সত্য়িই বাস্তবায়িত হয়ে প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দেবে? নাকি অতীতে যেমন একাধিকবার দেখা গেছে, এটাও কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তোলা এবং সংবাদ শিরোনামে থাকারই আরেকটা নতুন ট্রাম্প-গিমিক?


