US Iran War News
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন আরও তীব্র হলো। জর্ডনে(US Iran War News) মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার জবাবে এবার ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটি এবং ‘ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস’ (IRGC)-এর স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর দাবি, এই অভিযানে ইরানের সামরিক পরিকাঠামো, ড্রোন ঘাঁটি এবং কমান্ড সেন্টারগুলোকে নিশানা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের তরফ থেকে একাধিক হতাহতের আশঙ্কার কথা জানানো হলেও, নির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

টানা দুই ঘণ্টার হামলা(US Iran War News)
মার্কিন সেনাবাহিনীর দাবি, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানে ইরানের বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানা হয়েছে। বিশেষ করে IRGC-এর কমান্ড সেন্টার, ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র (লঞ্চিং সাইট) এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ওয়াশিংটনের বক্তব্য, জর্ডনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার সক্ষমতা কমিয়ে আনা যায়।
ইরানে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা(US Iran War News)
ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, মার্কিন হামলায় দেশটির একাধিক এলাকায় তীব্র বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিশেষ করে কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন সামরিক অঞ্চলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ও আহতের সংখ্যা জানানো হয়নি, তবে একাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানে উদ্ধারকাজ এখনো চলছে বলে জানা গেছে।

ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি(US Iran War News)
হামলার আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, জর্ডনে মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে হামলার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। হামলার পর হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন সেনা ও নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের অভিযান চালানো হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মহাযুদ্ধের আশঙ্কা(US Iran War News)
নতুন করে মার্কিন হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম রূপ নিয়েছে। জর্ডন ইতোমধ্যে নিজেদের আকাশসীমায় ঢুকে পড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোও তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলের আশঙ্কা, এই পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকলে সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজার ও বিশ্ব অর্থনীতিতে।


