Air India
Bengal Liberty
এয়ার ইন্ডিয়া মাদক কাণ্ডে(Air India)আরও বিপাকে বিমান সংস্থার পাইলটরা। ফুকেট থেকে দিল্লিগামী বিমান চালানোর সময় মাদক সেবনের অভিযোগে এক পাইলটকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তও চলছে। এই ঘটনার পর আরও দুই পাইলটের শরীরে মাদকের নমুনা পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। এরপরই প্রশ্ন উঠছে, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করে কেন সাধারণ মানুষ বিমানের উপর ভরসা করে ফ্লাইটে উঠবেন?

ঠিক কী ঘটেছিল(Air India)
৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার (AI2379) বিমানে ঘটে যাওয়া এক গুরুতর ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিমানটির পাইলটের ড্রাগ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর বিষয়টি আরও গুরুতর আকার নেয়। অভিযোগ, বিমানটি মাঝআকাশে হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ায় বেশ কয়েকজন যাত্রী ও ক্রু সদস্য আহত হন। বিমানটির মূল পাইলটের ড্রাগ স্ক্রিনিংয়ে মারিজুয়ানা বা গাঁজার উপস্থিতি ধরা পড়ে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে পাইলট ঘুমের ওষুধ সেবনের কথা উল্লেখ করলেও, একই সঙ্গে বিমানের হাইড্রোলিক ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ত্রুটির কথাও সামনে এসেছে।
বিমান কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ(Air India)
ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)। সংশ্লিষ্ট ক্রু সদস্যদের ডি-রোস্টার করা হয়েছে এবং তাঁদের সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে।
বাধ্যতামূলক ড্রাগ পরীক্ষা(Air India)
এই ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের সমস্ত পাইলটের জন্য বাধ্যতামূলক ড্রাগ স্ক্রিনিং বা মাদক পরীক্ষা চালু করেছে। বিমান চালকদের মাদক সেবনের মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় বিমানযাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে একের পর এক বিতর্কের মধ্যে থাকা শতাব্দীপ্রাচীন বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার পরিষেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে তর্ক শুরু হয়েছে। বিমানযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ আরও কড়া পদক্ষেপ নেয় কি না, নাকি একইভাবে পরিষেবা চলতে থাকবে—তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।


