Suvendu Adhikari
Bengal Liberty
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে(Suvendu Adhikari) ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ক্যাম্পাসের ভিতরে এভিবিপি এবং এসএফআইয়ের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সেই আবহেই এ বার যাদবপুর-কাণ্ড নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী(Suvendu Adhikari)
শনিবার অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তা মাতৃমণ্ডলীর সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সুভাষ উদ্যানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই যাদবপুর নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, যাদবপুরকে ঘিরে যারা ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কার্যকলাপকে সমর্থন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারী(Suvendu Adhikari)
বাম ছাত্র সংগঠনগুলিকে সরাসরি নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, যাদবপুরে এক শ্রেণির ছাত্র সংগঠন ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কার্যকলাপকে সমর্থন করছে। ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ নিয়েও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “যাদবপুরে বন্দে মাতরম বলতে দেওয়া হয় না, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না এবং জাতীয়তাবাদী ভাবধারার বিরোধিতা করা হচ্ছে।”

এই প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “যাদবপুরের ভিতরে এবং বাইরে জাতীয়তাবাদকে প্রতিষ্ঠা করবই।” এখানেই থামেননি শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে জাতীয় পতাকা, বন্দে মাতরম, জাতীয় সঙ্গীত, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, রাষ্ট্রবাদ ও ভারতীয় সংস্কৃতির প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।
সংঘর্ষের সূত্রপাত(Suvendu Adhikari)
সম্প্রতি যাদবপুর ক্যাম্পাসে এভিবিপি এবং এসএফআইয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এভিবিপির অভিযোগ, কোনও নির্বাচন ছাড়াই ক্যাম্পাসের ভিতরে এসএফআই জিবি মিটিং ডাকছিল। নির্বাচন ছাড়া কোন নিয়মে এই ধরনের সভা ডাকা যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তারা। যদিও এসএফআইয়ের দাবি, তারা কোনও জিবি মিটিং ডাকেনি। বরং এভিবিপিই তাদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ করে বাম ছাত্র সংগঠনটি।
রাজনৈতিক মহলের মত(Suvendu Adhikari)
দুই ছাত্র সংগঠনের এই সংঘর্ষের আঁচ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য রাজনীতিতেও। বিজেপির একাধিক নেতা-মন্ত্রীর বক্তব্যে যাদবপুরের ঘটনা রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসে। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এভিবিপির সঙ্গে বিজেপির সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই এবং এটি দল নিয়ন্ত্রিত কোনও ছাত্র সংগঠন নয়।
রাজনৈতিক মহলের মত(Suvendu Adhikari)
যাদবপুরের ছাত্র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


