Donald Trump
Bengal Liberty
বিগত বেশ কিছু দিন ধরেই শুল্কের চাপে জর্জরিত কানাডা। সুপ্রিম কোর্টের(Donald Trump) হুঁশিয়ারির পরেও শুল্কের নীতি থেকে এক ফোঁটাও সরেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। উল্টে ভারত, কানাডা, চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলির উপর শুল্ক চাপানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এরপর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর নীতির বিরুদ্ধে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বৈঠকের দিন চূড়ান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সেই আলোচনা ভেস্তে গেল। কিন্তু আলোচনা চাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত কেন পিছিয়ে গেল কানাডা?

কেন বৈঠক থেকে পিছিয়ে এল কানাডা(Donald Trump)
সূত্রের খবর, কানাডার প্রধানমন্ত্রী শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে আলোচনা চাইলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই নীতি থেকে সরতে নারাজ। একের পর এক বন্ধুরাষ্ট্রের উপর শুল্ক চাপানোর নীতি যে কতটা নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করছে, তা ডোনাল্ড ট্রাম্প বুঝতে চাইছেন না বলেই মত আন্তর্জাতিক মহলের। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেই শুল্কযুদ্ধের খেসারত দিতে হচ্ছে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশকে। এই বিষয়েই এমন দাবি আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের দাবি(Donald Trump)
“কানাডার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিক্ততা আজকের নয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গেও একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁর মতভেদ লেগেই থাকত। একবার তো ট্রাম্প কানাডাকে আমেরিকার অঙ্গরাজ্য বানানোর কথাও বলেছিলেন। এর পাশাপাশি জাস্টিন ট্রুডোকে ওই অঙ্গরাজ্যের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করার কথাও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। তাই শুল্ক চাপানোই ট্রাম্পের একমাত্র অস্ত্র নয়। চারদিক থেকে সমস্যায় জর্জরিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই কারণেই হয়তো ‘সেভ আমেরিকা’ নীতি চালু করার পক্ষে সমানে সওয়াল করে চলেছেন তিনি।” আদৌ সমস্যার সমাধান হবে, নাকি আরও জটিল হবে পরিস্থিতি? বন্ধুরাষ্ট্রগুলিকে শত্রু বানাতে গিয়েই কি কুরসি হাতছাড়া হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের? সেই দিকেই নজর গোটা বিশ্বের।


