Durand Derby Final
Bengal Liberty
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তার পরেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বৃষ্টিভেজা(Durand Derby Final)কলকাতার আকাশে মেঘ থাকলেও ঐতিহাসিক ডুরান্ড ডার্বির ফাইনালে তার একটুও আঁচ পড়বে না। পরপর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয়লাভ করে অবশেষে ডুরান্ড কাপের মেগা ফাইনালে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান।

এই মুহূর্ত আর ফিরবে না(Durand Derby Final)
সকাল থেকেই সাজো সাজো রব। দর্শকদের উপস্থিতি এবং টানটান ম্যাচের উত্তেজনায় জমজমাট যুবভারতী। ২০০৪ সালের পর আবারও ডুরান্ড কাপ জেতার লক্ষ্যে ১০০ শতাংশ প্রস্তুত লাল-হলুদ শিবির। অন্যদিকে, দু’বছর আগের ফাইনালের জ্বালা ভুলে ১৯তম বারের জন্য ডুরান্ড জিততে প্রস্তুতি নিচ্ছে সবুজ-মেরুন শিবির। সব মিলিয়ে ফাইনালের আগেই দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি।

বিশিষ্টজনেদের উপস্থিতি(Durand Derby Final)
তবে ঐতিহাসিক ডার্বিতে লাগল নতুন রং। ঐতিহাসিক ডুরান্ড ডার্বির ফাইনালের গুরুত্ব আরও দ্বিগুণ হয়ে গেল। ফাইনালের দিন বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উপস্থিত থাকতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মুকুটে যুক্ত হতে চলেছে নতুন পালক। এই গৌরবময় মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে চলেছে গোটা বাংলা-সহ ভারতবর্ষ।
ডুরান্ড ডার্বির গরিমা(Durand Derby Final)
সব কিছু ঠিক থাকলে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত থাকতে পারেন দেশের সেনাকর্তা এবং অন্যান্য হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিরা। সঙ্গে থাকতে পারেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। বিকেল ৫টায় জমজমাট মহারণের মধ্য দিয়ে জমকালো অনুষ্ঠানের পর শুরু হবে দুই দলের লড়াই। বল গড়ানোর অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরাও।
কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে(Durand Derby Final)
ফুটবল বা যেকোনও খেলায় কে এগিয়ে বা কে পিছিয়ে, তা বলা খুবই মুশকিল। তার মধ্যে বড় ম্যাচের ক্ষেত্রে তো কথাই নেই। একদিকে চাপ, অন্যদিকে সমর্থকদের প্রত্যাশা ও সমালোচনা। তবে এ বারের ডার্বিতে দুই দল যে সহজে হার মানবে না, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। রিকভারি টাইম নিয়ে দুই প্রধানই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারই সঙ্গে টানা তিনটি ম্যাচ খেলার পর কতটা লড়াই দিতে পারবে মোহনবাগান, তা নিয়েও সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ চরমে। তাই শেষ অবধি ডার্বির রং কী হয়, সেই মুহূর্তের অপেক্ষায় গোটা বাংলা। অভিশাপ নাকি আশীর্বাদ—কী হবে ম্যাচের ফলাফল, জানা যাবে আর একটু পরেই। তার আগে চলতে থাকুক দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে শেষ না হওয়া দ্বন্দ্ব।


