ABVP On Jadavpur
Bengal Liberty:
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯ ও ২০ আগস্টের সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের(Jadavpur University)ঘটনার তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য শুভশঙ্কর সরকার ই-মেলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, তিনি কমিটির চেয়ারম্যান পদে থাকতে চান না। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

অভ্যন্তরীণ কমিটি (Jadavpur University)
দুই ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছিল। পাশাপাশি, ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্তের জন্য উপাচার্যের সিদ্ধান্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছিল শুভশঙ্কর সরকারকে। বাকি দুই সদস্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

সংঘের আপত্তি (Jadavpur University)
এর মধ্যেই কমিটির সদস্যদের নিয়ে আপত্তি জানিয়ে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শিক্ষক মহাসংঘের সদস্য অধ্যাপকেরা। তাঁদের অভিযোগ, কমিটির সদস্যদের বৈধতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে শুভশঙ্কর সরকারকে চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েই আপত্তি তোলা হয়। ২০২২ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রসঙ্গও চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে।
সংগঠনের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল এবং উচ্চশিক্ষা দফতরকেও ই-মেল করা হয়েছিল। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনার তদন্ত কোনও অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে করা হোক।
তদন্ত কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব (Jadavpur University)
অন্যদিকে, এই আপত্তির পরেই শুভশঙ্কর সরকারের কমিটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। যদিও তিনি ব্যক্তিগত কারণের কথা জানিয়েছেন, তবুও তাঁর সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত এবং অধ্যাপক সংগঠনের আপত্তি একই সময়ে সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন তরজা।
এখন প্রশ্ন, শুভশঙ্কর সরকার সরে দাঁড়ালে যাদবপুরের এই অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে কাকে আনা হবে? পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্তে কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুনঃ ‘বোরখা পরে ডিম ছোড়া’ মন্তব্যের মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা ঠেকাতে হাইকোর্টে মহুয়া

