Manchester City
Bengal Liberty
প্রিমিয়ার লিগের শুরু থেকেই ছোট দলগুলি(Manchester City) বড় দলগুলির বিরুদ্ধে অসাধারণ পারফরম্যান্স করছে। হাল সিটির ২-০ গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে উড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে টটেনহ্যামের বিরুদ্ধে ব্রাইটনের ৩-০ গোলে জয়—অনেকটা ফিফা বিশ্বকাপের মতোই তাবড় তাবড় দল ছোট দলের বিরুদ্ধে বারবার হোঁচট খাচ্ছে। তবে ছোট দল প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ম্যানচেস্টার সিটির সামনে তা আর হয়ে উঠল না। পিছিয়ে থেকেও লিগের প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল ম্যানচেস্টার সিটি। এরই সঙ্গে এনজো মারেস্কার কোচিংয়ে প্রথম জয় তুলে নিল আর্লিং হালান্ডের দল।

প্রথমার্ধের জমজমাট খেলা(Manchester City)
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল দুরন্ত আক্রমণের ছন্দে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সুযোগ তৈরি করেও গোলের মুখ খুলতে পারছিল না কেউই। তবে ২৬ মিনিটে টাভের্নিয়েরের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় এএফসি বোর্নমাউথ। পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়াম তখন নিশ্চুপ। যেন প্রতিযোগিতার শুরুতেই হার মেনে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই শেষ হয় জমজমাট প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধে শেষ মুহূর্তে রাজকীয় জয়(Manchester City)
এগিয়ে থেকেও খুব একটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বোর্নমাউথ। লাগাতার আক্রমণে কার্যত জর্জরিত মার্কো রেসোর দল। আক্রমণ সামলেও গোলের মুখ খুলতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। যখন মনে হচ্ছিল, এ বার হয়তো মরসুমের আরও একটি অঘটন ঘটতে চলেছে, ঠিক তখনই ৮৪ মিনিটের মাথায় দুরন্ত হেডে গুয়েহির গোলে ১-১ হয়ে যায় স্কোরলাইন। ড্রয়ের দিকেই ম্যাচের সম্ভাবনা এগোচ্ছিল।

কিন্তু যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে ভার্ডিওলের গোলে ২-১ ব্যবধানে অসাধারণ জয় তুলে নেয় ‘দ্য ব্লুজ’। এই জয়ের সঙ্গে পয়েন্ট তালিকার ষষ্ঠ স্থানে উঠে আসে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্য দিকে দুরন্ত লড়াই করেও খালি হাতে মাঠ ছাড়তে হল এএফসি বোর্নমাউথকে। আগামী দিনের ম্যাচগুলিতে ম্যানচেস্টার সিটি কেমন পারফরম্যান্স করে, সে দিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের। তবে একটা কথা পরিষ্কার—জমে উঠেছে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিযোগিতা।


