Saigal Hossain
Bengal Liberty : বহরমপুরের পর এবার ডোমকল। অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী তথা কেয়ারটেকার সাইগেল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর নিজের বাড়িতে হানা দিল বীরভূম জেলা পুলিশ (Saigal Hossain)। তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ধৃত ভূমি দফতরের কর্মী প্রবীর দাসকে জেরা করেই তদন্তকারীদের হাতে একাধিক তথ্য এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই সূত্র ধরেই প্রথমে বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থে প্রবীরের শ্বশুরবাড়ি এবং পরে ডোমকলে সাইগেলের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশের বিশেষ দল। বাড়িতে চলে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি। খতিয়ে দেখা হয় একাধিক নথি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Saigal Hossain)।

প্রবীরকে জেরা করেই মিলল সাইগেলের যোগসূত্র (Saigal Hossain)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাম্মদবাজারের ভূমি দফতরের ক্লার্ক প্রবীর দাস চেক গেটের ডিআরসি কাটার কাজে রোস্টারের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগ, সেই কাজের সূত্রে টুলু মণ্ডলের কাছ থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন তিনি। তোলাবাজি এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে সম্প্রতি প্রবীরকে গ্রেফতার করে বীরভূম জেলা পুলিশ।হেফাজতে নিয়ে তাঁকে লাগাতার জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তের পরিধি বাড়ানো হয়। প্রথমে প্রবীরকে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই সাইগেলের সঙ্গে প্রবীরের যোগসূত্রের সূত্র মেলে বলে জানা যাচ্ছে।

বহরমপুরের পর ডোমকল, সাইগেলের বাড়িতে নথি খোঁজ (Saigal Hossain)
বহরমপুরের অভিযান শেষ করেই প্রবীর দাস ও সাইগেল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ডোমকলে পৌঁছয় বীরভূম পুলিশের বিশেষ দল। এরপর সাইগেলের বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি। বাড়ির বিভিন্ন জায়গা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি একাধিক নথিপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে খবর। তবে এখনও পর্যন্ত তল্লাশি থেকে কী কী উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের তরফে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। একইভাবে সাইগেলের সঙ্গে প্রবীরের ঠিক কী ধরনের আর্থিক বা প্রশাসনিক যোগসূত্র রয়েছে, সেটিও তদন্তের বিষয়।

আরও পড়ুন :
Ashoknagar : বাইগাছিতে ফের জ্বলল আগুন, তেল উত্তোলনের স্বপ্ন কি এবার সত্যি হবে?

