Tollygunge
Bengal Liberty
টালিগঞ্জের(Tollygunge)সতীশ মুখার্জি রোডের ৫১/১এ এবং ৫১/১বি নম্বরের বাড়ি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা পুরনিগম। সেই নির্দেশ ঘিরেই রবিবার সকালে এলাকায় পৌঁছে যায় পুরনিগমের বুলডোজার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাই কোর্টের হস্তক্ষেপে আপাতত থমকে গেল বাড়ি ভাঙার প্রক্রিয়া।

রবিবার বুলডোজার অভিযান(Tollygunge)
বাড়ি খালি করার জন্য পুরনিগমের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। এর পর রবিবার সকালে বাড়ি ভাঙতে বুলডোজার নিয়ে পৌঁছন পুরনিগমের কর্মীরা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনাও তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে বসবাসকারীরা জরুরি ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। বাড়ি খালি করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য সময় চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানান তাঁরা। মামলাটির জরুরি ভিত্তিতে শুনানি হয় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বেঞ্চে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ(Tollygunge)
শুনানিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও বাড়ি ভাঙার ক্ষেত্রে সেখানে বসবাসকারী মানুষদের অন্তত ৩০ দিন সময় দেওয়া উচিত। কিন্তু এই ক্ষেত্রে পুরনিগম সেই সময় দেয়নি। ফলে আপাতত ওই বাড়ি ভাঙতে পারবে না কলকাতা পুরনিগম—এমনই নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
আদালতের হস্তক্ষেপ(Tollygunge)
অর্থাৎ, আদালতের নির্দেশে রবিবারের বুলডোজার অভিযান আপাতত বন্ধ হয়ে গেল। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়িটি ভাঙার ক্ষেত্রে পুরনিগমকে আদালতের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। উল্লেখ্য, সতীশ মুখার্জি রোডের ৫১/১এ এবং ৫১/১বি নম্বরের ওই সম্পত্তি ওয়াকফ সম্পত্তির অংশ বলে জানা গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ওই এলাকায় ওয়াকফ সম্পত্তি জবরদখল করে তৃণমূল কার্যালয় চালাচ্ছিল—এমন অভিযোগও উঠেছে। সেই কারণেই সম্পত্তি খালি করার জন্য পুরনিগমের তরফে নোটিস এবং পরবর্তী সময়ে বুলডোজার অভিযান ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। এ বার সেই বিতর্কে হাই কোর্টের হস্তক্ষেপে আপাতত স্বস্তি পেলেন সেখানে বসবাসকারী মানুষজন।


