West Bengal Assembly
Bengal Liberty:
বিধানসভায় এ বার নির্দিষ্ট বসার ঘর পেতে চলেছেন মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কেরা। বিধানসভার একতলাতেই তাঁদের বসার জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Legislative Assembly)। কিছু মেরামতির কাজ শেষ হলেই ঘরটি তাঁদের ব্যবহারের জন্য তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে বিধানসভায় অধিবেশন না থাকলে সন্ধ্যা ৭টার পর ওই ঘরে বিধায়কদের না থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বিধানসভা সূত্রে খবর (Legislative Assembly)
এ দিন বিধানসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সূত্রের খবর, ঘর সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এই ঘর পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসতেই ফের রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের ভূমিকা এবং মর্যাদা নিয়ে।

মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ (Legislative Assembly)
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে নিজেদের একাধিক দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত দেব-সহ মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কেরা। সেই বৈঠকে বিধানসভায় তাঁদের বসার জন্য পৃথক ঘর এবং অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল। আলোচনা চলাকালীনই মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষকে ডেকে এই বিধায়কদের জন্য দ্রুত ঘরের ব্যবস্থা এবং অধিবেশনে তাঁদের বক্তব্য রাখার সময় নির্দিষ্ট করার নির্দেশ দেন। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ।
নির্দিষ্ট ঘর (Legislative Assembly)
এ বার সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পথে। বিধানসভায় মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সময়সীমা-সহ কিছু শর্তও থাকছে।
রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে শাসক-বিরোধী তরজাও নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিজেপি সরকার বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করছে এবং বিধানসভায় বিরোধীদের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে— এমন অভিযোগ বার বার তুলেছে বিরোধী শিবির। সেই আবহেই মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের জন্য পৃথক ঘরের ব্যবস্থা করে মুখ্যমন্ত্রী যেন সেই অভিযোগের পাল্টা বার্তা দিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভায় প্রত্যেক বিরোধী শক্তিকেই নির্দিষ্ট মর্যাদা ও সাংবিধানিক পরিসরের মধ্যে জায়গা দেওয়ার বার্তাই দিতে চাইছে সরকার।

আরও পড়ুনঃ নানুরে বিজেপি নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, পার্টি অফিসে আগুন ও চাঞ্চল্যকর হুমকি

