Naushad Siddiqui
Bengal Liberty
শহরের নামী স্কুলে সাপের কামড়ে মৃত্যুর প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। শুধু শহরে নয়, গ্রামাঞ্চলে বিগত বছর ধরে মানুষ সাপের উপদ্রব সহ্য করে আসছে। সরকারের কাছে উপযুক্ত অ্যান্টিভেনমের অভাবে মৃত্যু হচ্ছে একাধিক মানুষের বলে জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগ, একাধিকবার এই সমস্যা নিয়ে বিধানসভায় সরব হলেও এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি নিয়ে চর্চা হয়নি।

অ্যান্টিভেনমের ঘাটতিতে মৃত্যু Naushad Siddiqui
নওশাদের বক্তব্য, রাজ্যে সাপের কামড়ে মৃত্যুর অন্যতম কারণ অ্যান্টিভেনমের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম তৈরি না হওয়ায় তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে অ্যান্টিভেনম আনতে হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে সাপের কামড়ে প্রতি বছর প্রায় দেড় হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দক্ষিণ ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গের সাপের প্রজাতি ও বিষের চরিত্রে পার্থক্য রয়েছে । তাঁর বক্তব্য, দক্ষিণ ভারত থেকে আনা অ্যান্টিভেনম সব ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের সাপের বিষের বিরুদ্ধে সমান কার্যকর হয় না। ফলে রাজ্যের মানুষের জন্য স্থানীয় সাপের বিষের উপযোগী অ্যান্টিভেনম তৈরির প্রয়োজন রয়েছে।

নওশাদ জানিয়েছেন, কোনও মানুষ যাতে সাপের কামড়ে প্রাণ না হারান, সেটাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। উদাহরণ স্বরূপ তিনি জানান, জনগণনার কাজ করতে গিয়ে সাপের কামড়ে এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তবে, সম্প্রতি শহরের একটি নামী স্কুলে সাপের কামড়ের ঘটনা সামনে আসার পর বিষয়টি আলোচনা শীর্ষে পৌঁছেছে। অথচ গ্রামাঞ্চলের বহু স্কুলে দীর্ঘদিন ধরেই সাপের উপদ্রব রয়েছে। গ্রামের স্কুলগুলিতে পড়ুয়া ও শিক্ষক-কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার, বন দফতর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিমহলকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আবেদন জানান নওশাদ সিদ্দিকী। তাঁর দাবি, সাপের কামড়ে মৃত্যু রুখতে রাজ্যেই উপযুক্ত অ্যান্টিভেনম তৈরির ব্যবস্থা করা এবং গ্রামীণ এলাকায় চিকিৎসা পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করা জরুরি

