Tunisia
Bengal Liberty
ইতালির উদ্দেশে রওনা দেওয়া অভিবাসীবাহী(Tunisia)নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এবার উত্তাল হয়ে উঠল তিউনিশিয়া। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯ জনের দেহ উদ্ধার করে দক্ষিণ তিউনিশিয়ার বেন গেরদানে শহরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই পরিবারের সাতজন সদস্যও ওই নৌকায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুরু হয় তীব্র বিক্ষোভ।

ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিক্ষোভকারীরা(Tunisia)
রবিবার রাতে বেন গেরদানে শহরে বিক্ষোভ তীব্র আকার নেয়। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনীকে নামতে হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে।

ভালো জীবনের সন্ধানে(Tunisia)
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বেন গেরদানে এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের অভাব রয়েছে। সেই কারণেই বহু তরুণ ভালো জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকি নেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকারের উচিত এলাকার জীবনযাত্রার মান এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি করা।
নৌকায় ছিলেন ১৫ জন(Tunisia)
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার ভোরে ১৫ জনকে নিয়ে নৌকাটি ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল। এক ব্যক্তিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে উপকূলরক্ষী বাহিনী একের পর এক দেহ উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার হওয়া সব দেহ একই নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজদের কি না, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত ও পরিচয় শনাক্তকরণের কাজ চলছে।
চলছে উদ্ধার অভিযান(Tunisia)
এখনও নিখোঁজদের খোঁজে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চলছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী, সেনা এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থা অভিযানে রয়েছে। হেলিকপ্টারের সাহায্যেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তিউনিশিয়ার এই নৌকাডুবির ঘটনা ফের একবার সামনে আনল ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে পৌঁছনোর ভয়ঙ্কর ঝুঁকির বাস্তবতা। তবে এবার শুধু একটি নৌকাডুবির ঘটনাই নয়, কর্মসংস্থানের অভাব এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ঘিরে সাধারণ মানুষের ক্ষোভও প্রকাশ্যে চলে এসেছে।


