AK-203 Sher
Bengal Liberty
ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক আজকের নয়। ভারতের(AK-203 Sher)প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু থেকে শুরু করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি—ক্ষমতায় যেই থাকুন না কেন, রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্ক বরাবরই মজবুত থেকেছে। পঞ্চশীল নীতি হোক কিংবা বিদেশমন্ত্রীর রাশিয়া সফর, অন্য কোনও দেশ ভারতের বিরোধিতা করলেও রাশিয়া কখনও সেই পথে হাঁটেনি। এবার ভারত ও রাশিয়ার মজবুত সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল AK-203 ‘শের’। উত্তরপ্রদেশের আমেঠির কোরওয়া কারখানায় ১০০ শতাংশ দেশীয় উপাদান ও কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি প্রথম অ্যাসল্ট রাইফেলের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

পরীক্ষার বিবরণ ও ফলাফল(AK-203 Sher)
উদ্বোধন ও পরীক্ষা(AK-203 Sher)
ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেড (IRRPL)-এর তৈরি এই প্রোটোটাইপ বা নমুনা রাইফেলটি সফলভাবে বিস্ফোরণ ও বার্স্ট ফায়ারিং পরীক্ষার ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে।
সামরিক প্রতিক্রিয়া(AK-203 Sher)
প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত সন্তোষজনক। যদিও এখনও কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি রয়েছে, তবুও ইন্দো-রাশিয়া সহযোগিতার মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হতে চলেছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই রাইফেলটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি, উপাদান ও কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। যা ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর ভাবনাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সেনাবাহিনীর ট্রায়াল(AK-203 Sher)
আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ট্রায়ালের জন্য আরও কয়েকটি দেশীয় প্রোটোটাইপ হস্তান্তর করা হবে। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে খুব শীঘ্রই প্রতি ১০০ সেকেন্ডে একটি করে AK-203 রাইফেল তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সেনার জন্য মোট প্রায় ৬ লক্ষ রাইফেল সরবরাহের সময়সীমাও প্রায় এক বছর এগিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
এগিয়ে ভারত(AK-203 Sher)
একসময় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রথম দীপ জ্বেলেছিলেন মঙ্গল পাণ্ডে। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সূচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা এনফিল্ড রাইফেলকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াইয়ের সূচনা করেছিলেন। আর আজ সেই ভারতই নিজস্ব প্রযুক্তি ও দেশীয় উপাদান ব্যবহার করে নতুন অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি করছে। ১৬৯ বছরে দেশ প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। আগামী দিনে আরও অসম্ভবকে সম্ভব করে ভারত এগিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।


