BJP Worker Murder Case
Bengal Liberty : বারুইপুরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনের ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ (BJP Worker Murder Case)। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপি থেকে সাসপেন্ডেড নেতা সুজন মণ্ডল। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণা মণ্ডল, কনক মণ্ডল এবং অনিল নাইয়াকে। ঘটনার পর থেকেই সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল নিহতের পরিবার। তাঁদের দাবি ছিল, বাপিকে খুনের নেপথ্যে সুজনই মূলচক্রী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালানোর পরই সুজন-সহ চার জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। যদিও খুনের ঘটনায় ধৃতদের ঠিক কী ভূমিকা ছিল, তা এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে (BJP Worker Murder Case)।

দুর্গাপুজোর কমিটির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে গোলমালের সূচনা (BJP Worker Murder Case)
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায় রবিবার রাতে খুন হন বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক। স্থানীয় সূত্রে খবর, একটি দুর্গাপুজো কমিটির নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে ওই এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি এবং মারপিটের আকার নেয়। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাপিকে খুনের অভিযোগ ওঠে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, রবিবার রাতে ফোন করে বাপিকে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে খুন করা হয়। পরিবারের আরও দাবি, হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বাপির স্ত্রী। তাঁর সামনেই বাপিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ।

সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবারের (BJP Worker Murder Case)
খুনের পর থেকেই বিজেপির নিলম্বিত নেতা সুজন মণ্ডলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলে বাপির পরিবার। তাঁদের দাবি, সুজনের পরিকল্পনাতেই হামলা চালানো হয়েছিল। এমনকি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ব্যবহার করে বাপিকে খুন করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। তবে পরিবারের এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করছে পুলিশ। ঘটনার পর বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তে পাওয়া বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতেই সুজন মণ্ডল-সহ মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বাপি প্রামাণিককে খুনের আসল কারণ কী, পুজো কমিটির বিবাদের সঙ্গে খুনের সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না এবং ধৃত চার জনের প্রত্যেকের ভূমিকা ঠিক কী ছিল-এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি খুনের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

