Uganda Burundi
Bengal Liberty
দীর্ঘ যুদ্ধ ও সংঘাতের পর গাজায়(Uganda Burundi)স্থিতিশীলতা ফেরাতে এবার আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগোল। মার্কিন সমর্থিত প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী বা আইএসএফে প্রায় ১,২০০ সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উগান্ডা। একইসঙ্গে এই বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে আফ্রিকার আরও একটি দেশ বুরুন্ডি। সম্প্রতি উগান্ডা ও বুরুন্ডির সামরিক আধিকারিকরা ইজরায়েল সফর করে সম্ভাব্য সেনা মোতায়েন নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।

ইজরায়েল সফরে উগান্ডা-বুরুন্ডির সামরিক প্রতিনিধিরা(Uganda Burundi)
গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়ায় উগান্ডা ও বুরুন্ডির সামরিক প্রতিনিধিদের ইজরায়েল সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, দুই দেশের প্রতিনিধিরা সম্ভাব্য সেনা মোতায়েন, বাহিনীর দায়িত্ব ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। এর আগে উগান্ডার সংসদ গাজায় সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল। এবার প্রায় ১,২০০ সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে গাজা মিশনে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি আরও স্পষ্ট করল কামপালা।

বুরুন্ডির সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত নয়(Uganda Burundi)
অন্যদিকে বুরুন্ডি এখনও চূড়ান্তভাবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা না করলেও দেশটির সামরিক প্রতিনিধিদের গাজা মিশনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বুরুন্ডি এই বাহিনীতে যোগ দিলে গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক উদ্যোগে আফ্রিকার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে মরক্কো, কসোভো, কাজাখস্তান ও আলবেনিয়াও প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে প্রায় ২০ হাজার সদস্যের বাহিনী গঠনের লক্ষ্যের তুলনায় এখনও প্রতিশ্রুত সেনার সংখ্যা অনেকটাই কম।
কি হবে গাজার(Uganda Burundi)
প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর প্রধান কাজ হবে গাজায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে সাহায্য করা, মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্যালেস্তিনীয় পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণে সহায়তা করা। দীর্ঘ সংঘাতের পর গাজায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবেই এই বাহিনীকে দেখা হচ্ছে। তবে বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়া চললেও গাজা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক জটিলতা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ইজরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে মতবিরোধ রয়ে গিয়েছে।


