Us Iran
Bengal Liberty
সামরিক সংঘাতের আবহের(Us Iran)মধ্যেই এবার ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হাঁটছে আমেরিকা। ইরানের অর্থনীতিকে কার্যত কোণঠাসা করতে নতুন করে একাধিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন। শুধু ইরানই নয়, তেহরানের সঙ্গে আর্থিক বা বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশ ও সংস্থাগুলিকেও কঠোর পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগের তরফে প্রায় ৬০টি ব্যক্তি, সংস্থা ও জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে গেলে বিভিন্ন দেশকে ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করার পরিকল্পনা(Us Iran)
আমেরিকার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের উপর নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করাই ওয়াশিংটনের লক্ষ্য। ইরানের তেল বাণিজ্য, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান পরিষেবা ও জাহাজ চলাচল— একাধিক ক্ষেত্রকে নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করে তেহরানকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন করাই এই নতুন অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। তবে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলির উপরও দ্বিতীয় দফার নিষেধাজ্ঞা চাপানো হতে পারে বলে আমেরিকার এই পদক্ষেপ ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে।
পালটা তোপ তেহরানের(Us Iran)
আমেরিকার এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের হুঁশিয়ারি, কোনও দেশ যদি আমেরিকার এই অর্থনৈতিক যুদ্ধে অংশ নেয়, তাহলে তাকে শত্রু হিসাবেই দেখা হবে।ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিক মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, আমেরিকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপালে সংশ্লিষ্ট দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও জানানো হয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞা পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাবে না, বরং উত্তেজনা আরও বাড়াবে। নতুন করে আমেরিকার এই অর্থনৈতিক চাপের ফলে ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের উপরও প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে তেল ও অন্যান্য বাণিজ্যে যুক্ত দেশগুলির উপর ওয়াশিংটনের নজর রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।


