US Russia
Bengal Liberty
ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে টানাপোড়েন(US Russia)চলছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কও বর্তমানে বেশ জটিল। এমন পরিস্থিতিতেই আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন বায়ুসেনার বিশাল সামরিক পরিবহণ বিমান। এরপরই আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। কী উদ্দেশ্যে এই মার্কিন সামরিক বিমান রাশিয়ার রাজধানীতে পৌঁছল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।

রিগা থেকে সোজা মস্কো(US Russia)
ফ্লাইট ট্র্যাকিং পরিষেবা ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বায়ুসেনার বোয়িং সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানটি লাটভিয়ার রাজধানী রিগা থেকে সরাসরি মস্কোর ভনুকোভো বিমানবন্দরে পৌঁছয়। মঙ্গলবার প্রায় ০৭:০০ GMT নাগাদ বিমানটির অবতরণ হয়। বিমানটির লেজ নম্বর ছিল ০৭-৭১৮১। জানা গিয়েছে, গত ২৩ অগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের কাছে ক্যাম্প স্প্রিংস বিমানঘাঁটি থেকে বিমানটি রিগায় পৌঁছেছিল। সেখান থেকেই এবার মস্কোর উদ্দেশে রওনা দেয়।

রহস্য আরও বাড়াল ক্রেমলিনের বক্তব্য(US Russia)
মার্কিন সামরিক বিমান মস্কোয় পৌঁছনোর খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা প্রশ্ন। তবে এই বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্টের দফতর ক্রেমলিনের বক্তব্যে রহস্য আরও বেড়েছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই মার্কিন সামরিক বিমানের মস্কোয় আসার বিষয়ে তাদের কাছে কোনও তথ্য নেই। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও বিমানটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনও তথ্য দিতে পারেননি।
বিমানটিতে কি ছিল(US Russia)
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই—বিমানটিতে কারা ছিলেন? কোনও গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন প্রতিনিধি, সামরিক কর্মকর্তা, নাকি অন্য কোনও বিশেষ ব্যক্তি মস্কোয় পৌঁছেছেন? বিমানটিতে কোনও মালপত্র ছিল কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রধান জন র্যাটক্লিফ ওই বিমানে ছিলেন। যদিও এই বিষয়ে সরকারি স্তরে নিশ্চিত কোনও ঘোষণা করা হয়নি। তাই এই দাবি এখনও নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।
নতুন কোনও সমঝোতার ইঙ্গিত(US Russia)
মস্কোয় মার্কিন সামরিক বিমানের এই আকস্মিক উপস্থিতি কি আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে নতুন কোনও সমঝোতার ইঙ্গিত? নাকি ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে পর্দার আড়ালে শুরু হয়েছে নতুন কোনও কূটনৈতিক তৎপরতা? এখনও পর্যন্ত এর কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের ‘জানি না’ মন্তব্যই বরং রহস্য আরও বাড়িয়েছে। ফলে মস্কোয় মার্কিন সামরিক বিমানের আচমকা অবতরণকে ঘিরে আগামী কয়েক ঘণ্টায় নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের ।


