Toxic Controversy
Bengal Liberty
দীর্ঘ চার বছরের অপেক্ষার(Toxic Controversy)পর অবশেষে রকিংস্টার যশ অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত ছবি টক্সিক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। যশ ছাড়াও এই সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে দক্ষিণী লেডি সুপারস্টার নয়নতারাকে, বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আডবাণী, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্তকে। ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের রায়ার জীবনের গল্প সিনেমার বড় পর্দায় দেখার জন্য প্রথম থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে ছিল। তারপর ২০২২ সালে কেজিএফ ২-এর পর আবারও বড় পর্দায় যশের রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় ছিল সকলেই। কিন্তু সিনেমা মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা যশ কিংবা যশের ভক্তরা মোটেও আশা করেননি।

বিতর্কের আরেক নাম টক্সিক(Toxic Controversy)
বুধবার, ২৬ অগাস্ট মুক্তির দিনেই বিতর্ক ও টক্সিক একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। প্রথমেই সুরাজ কুমার, শান পারাসার, সন্দীপদের রিভিউ করার পরই আইনি নোটিশ ইমেল করে সিনেমার রিভিউ সরানোর হুমকি দেওয়া হয় বিখ্যাত ইউটিউবারদের। এরই সঙ্গে প্রথম দিনে ১৪০ কোটি টাকা ব্যবসা করার পর দ্বিতীয় দিন থেকেই মুখ থুবড়ে পড়ে টক্সিক। দ্বিতীয় দিনে ৩৭ কোটি, তৃতীয় দিনে ২৭ কোটি আর আজ এখনও পর্যন্ত ৮ কোটি। এরই সঙ্গে বুক মাই শো অ্যাপ থেকেও টক্সিকের রেটিং সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তারই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি মারাত্মক অভিযোগ।

কর্পোরেট বুকিং(Toxic Controversy)
অভিযোগ উঠছে, দ্বিতীয় দিন থেকেই টক্সিক কর্পোরেট বুকিংয়ের সাহায্য নিয়ে সিনেমার আয় বৃদ্ধি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন বহু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে হল প্রায় ফাঁকা কিন্তু বুকমাইশোতে দেখানো হচ্ছে ১০০ শতাংশ হাউসফুল। এর পাশাপাশি নেতিবাচক রিভিউ করলেই বাক্স্বাধীনতার উপর কেন এই ভাবে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে, তা নিয়েও সরগরম সিনে মহল।
এর আগেও একই ঘটনা(Toxic Controversy)
সিনেমাপ্রেমীদের একটাই প্রশ্ন, যখন কোনও জিনিসকে দাম দিয়ে কেনা হচ্ছে, তখন অবশ্যই জিনিস খারাপ হলে তার সমালোচনা করা সবার অধিকার। তেমনি সিনেমা খারাপ হলে সমালোচনা কেন হবে না? নির্মাতা, অভিনেতারা বছরের পর বছর বাজে সিনেমা বানিয়েই যাবেন আর দর্শকেরা মুখ বন্ধ করে কেন সহ্য করবেন?
দর্শকদের বোকা বানানো বন্ধ(Toxic Controversy)
শাহরুখ হোক কিংবা সালমান বা প্রভাস কিংবা যশ বা দেব, নিজের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে সিনেমা সফল করার দক্ষতা আজকের দিনে আর সফলতা পাবে না। একমাত্র সিনেমা ভালো হলেই চলবে। তা টক্সিকের অবস্থা দেখে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। এবার দেখার, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে কি ঘুরে দাঁড়াবেন বড় সুপারস্টাররা, নাকি সেই দর্শকদের বোকা বানানোর খেলা চলতেই থাকবে?


