Bengal Liberty:
আনন্দবাজার পত্রিকার দফতরে হামলা এবং ভবনের দেওয়ালে গেরুয়া রং লাগানোর ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানালেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনাকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর ‘আঘাত’ বলে উল্লেখ করে ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শুভঙ্করের তীর RSS এর দিকে(Subhankar Sarkar)
শুভঙ্করের অভিযোগ, বিজেপি ও আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীরাই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংবিধান প্রদত্ত অধিকার এবং সেই স্বাধীনতার উপর আঘাত গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, যারা সরকারের সমালোচনা করছেন বা নিজেদের বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক অসঙ্গতি তুলে ধরছেন, তাঁদের কণ্ঠস্বর রোধ করার চেষ্টা চলছে।
আনন্দবাজার পত্রিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। একই সঙ্গে আরএসএস, জনসংঘ এবং সংঘ পরিবারের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

প্রশাসনকে প্রশ্ন(Subhankar Sarkar)
যাদবপুরের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে শুভঙ্কর বলেন, ওই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে আইনের শাসনের পরিবর্তে ‘শাসকের আইন’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
গেরুয়া রং নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে শুভঙ্কর বলেন, “গেরুয়া হল ত্যাগ এবং তিতিক্ষার প্রতীক।” তাঁর দাবি, গেরুয়ার প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে হলে আগে ত্যাগ ও তিতিক্ষার মানসিকতা থাকা প্রয়োজন।
এক হওয়ার বার্তা(Subhankar Sarkar)
একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যম, লিটল ম্যাগাজিন ও অন্যান্য প্রকাশনার পাশে দাঁড়িয়ে ‘নব্য ফ্যাসিবাদ’-এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভারতবর্ষ কোনও একরঙা আধিপত্যের দেশ নয়, বরং বহুত্ববাদের ‘রামধনু’। আনন্দবাজারের দফতরে হামলা সেই বহুত্ববাদ ও সাংবিধানিক মূল্যবোধের উপর আঘাত বলেই দাবি তাঁর।

আরও পড়ুনঃ ‘কালিঘাট বিজেপির লক্ষ্মী প্যাঁচা’, তৃণমূলের কালীঘাট- শিবিরের সঙ্গে ‘সেটিং’! দাবি বিরোধী দলনেতার

