Bengal Liberty, নয়ন বিশ্বাস রকি : যাই কিছু দেখা হোক না কেন, আমেরিকা বা অন্য কোনো বিদেশি শক্তি এসে শেষ রক্ষা করতে পারবে না (BNP)। কারণ এই দেশের মালিক জনগণ। আর সংবিধানও বলে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। তাহলে ভয় কিসের?
আজ বাংলাদেশের জনগণ চোখ খুলেছে। তারা বুঝে গেছে এই দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং অগ্রগতি শুধুমাত্র শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ। গত ১৫ বছরে দেশ যে জায়গায় পৌঁছেছে, পদ্মা সেতু থেকে মেট্রোরেল, ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে করোনা মোকাবিলা – এগুলো জনগণ ভুলে যায়নি (BNP)।

বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি (BNP)
অন্যদিকে বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি এখন শৈশবকালের বাচ্চাদের খেলাধুলার মতো হয়ে গেছে। কখনো ভারতের বিরোধিতা, কখনো আমেরিকার কাছে ধরনা, কখনো পাকিস্তানি লবির সাথে হাত মেলানো। সবাইকে খুশি করতে গিয়ে তারা নিজেদেরই হাসির পাত্র বানিয়েছে। সবকিছু দিয়ে মন রক্ষা করা যায় না। দেশের জনগণ এখন বুঝে গেছে বিএনপির কোনো সুস্পষ্ট নীতি নেই, আছে শুধু ক্ষমতার লোভ।
আরও খবর
আজ জনগণ প্রকাশ্যে বলতে শুরু করেছে – “এই দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ।” কারণ জনগণ দেখেছে অস্থিরতার সময় কে দেশকে স্থিতিশীল রেখেছে। কে জঙ্গিবাদ দমন করেছে। কে দেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছে।
দমন-পীড়ন করে সাধারণ জনগণকে কখনো থামানো যাবে না। বিএনপি ভাবছে মব ভায়োলেন্স, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ আর হত্যা করে মানুষকে ভয় দেখাবে। কিন্তু ইতিহাস বলে, বাঙালি ভয় পেয়ে পিছায় না। বরং অন্যায় দেখলে আরও জেগে ওঠে।

বিএনপিকে পালাতে হবে (BNP)
সামনে এমন একটা সময় আসছে, যে সময় বিএনপিকে পালাতে হবে। কিন্তু সেই পালানোর পরিস্থিতিটা খুবই ভয়ঙ্কর হবে। নেপাল / শ্রীলংকার মতো বিমানের রশি ধরে পালানোর অবস্থা সৃষ্টি হবে। কারণ জনগণ যখন জেগে ওঠে, তখন কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিদেশি প্রভু তাকে আটকাতে পারে না।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই – জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। তাই আমরা জনগণের সাথেই আছি। আর জনগণকে নিয়েই অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন, দুঃশাসন, অপশাসন, লুটপাট, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার সব জবাব দেওয়া হবে।
এই জবাব রাজপথেই হবে। ফয়সালাও রাজপথেই হবে। আদালতের বারান্দায় না, বিদেশি দূতাবাসে না, টকশোর টেবিলে না। ফয়সালা হবে ১৮ কোটি মানুষের রাজপথে।
বিএনপি মনে করেছে ৫ আগস্টের পর তারা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পেয়ে গেছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, ক্ষমতা চিরস্থায়ী না। জনগণ যাকে বসায়, জনগণই তাকে নামায়।
আজ সময় এসেছে হিসাব নেওয়ার। জুলাইয়ের নামে যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করেছে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর পুড়িয়েছে, মসজিদ-মন্দির ভেঙেছে, ব্যাংক লুট করেছে – তাদের প্রত্যেকের জবাব দিতে হবে।
শেষে একটা কথাই বলবো। যাই ষড়যন্ত্রই হোক, আমেরিকা হোক আর অন্য কেউ হোক, শেষ রক্ষা হবে না। কারণ এবার জনগণ শেখ হাসিনার পক্ষে। জনগণ বাংলাদেশের পক্ষে। আর জনগণ যখন একবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, তখন ইতিহাসের চাকা কেউ ঘোরাতে পারে না।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
জনগণই জিতবে।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/09/02/bnp/


