Bengal Liberty, নয়ন বিশ্বাস রকি : বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে বড় গলায় স্লোগান দিয়েছিল (BNP) – “সবার আগে বাংলাদেশ”। আজ দুই বছর পর জাতির সামনে সেই স্লোগানটা পুরোটাই মিথ্যা এবং প্রতারণা বলে প্রমাণিত হচ্ছে (BNP)। এখন বাস্তবে দেখা যাচ্ছে – “সবার আগে আমেরিকা”।
গোপন চুক্তি, অন্ধকারের রাজনীতি (BNP)
আমেরিকার সাথে কি চুক্তি হয়েছে, কিসের বিনিময়ে কি দেওয়া হয়েছে – দেশের ১৮কোটি মানুষের কাছে আজ পর্যন্ত তা পরিষ্কার করা হয়নি। জনগণ তো তাদের এই দায়িত্ব দেয়নি যে, তারা আমেরিকার কাছে বাংলাদেশকে ইজারা দিয়ে দেবে।
প্রিয় দেশবাসী, আপনারা কি বুঝতে পারছেন? যারা মুখে মুখে শুধু “ভারত বিরোধী” স্লোগান দেয়, “ভারত সব নিয়ে গেছে” বলে, তারা বিগত দুই বছরে ভারতের সাথে একটি চুক্তিও দেখাতে পারেনি। অথচ আমেরিকার সাথে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হচ্ছে রাতের আঁধারে। তার মানে এটা পরিষ্কার – ভারত-বিরোধিতা ছিল শুধুই রাজনৈতিক ব্যবসা। পুরোটাই মিথ্যা এবং ভুয়া।
আরও খবর

বাটপারি, প্রতারণা আর দেশ বিক্রি (BNP)
এরা যে বাটপার, প্রতারক, বেইমান – তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশের স্বার্থ বিক্রি করে বিদেশি প্রভুদের মন রক্ষা করাই এখন তাদের মূল কাজ।
ক্ষমতায় যাওয়ার আগে বলেছিল – “আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নতজানু হবে না”। এই কথাটাও মিথ্যা এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার ফাঁদ। কিন্তু আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমেরিকার কাছে দেশকে কার্যত বিক্রি এবং ইজারা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তারা মুখে বলে “জাতীয়তাবাদী দল”। কিন্তু কার্যক্রমে রাত আর দিনের ব্যবধান। নামে জাতীয়তাবাদ, কাজে বিদেশি তাঁবেদারি। এটাই তাদের আসল চেহারা।

সংসদ নাকি সার্কাস? (BNP)
আজকের সংসদে বিরোধী দল বলতে কিছু আছে কি? আছে শুধু “মামা আর ভাগ্নে”। এটা কি জাতীয় সংসদ, নাকি সার্কাস চলছে – দেশের জনগণ আজ সেই প্রশ্ন করছে।
যে দেশের মানুষের পেটে ভাত নেই, যে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর হয়ে গেছে, যে দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের চাপে দিশেহারা – সেই জায়গায় তারা আমেরিকার সাথে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করছে। কার স্বার্থে? জনগণের স্বার্থে, নাকি ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে?
আমার আপনার স্বাধীন সোনার বাংলাদেশকে শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পরিকল্পনা করে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম কোথায় গেল? (BNP)
আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন – পার্বত্য চট্টগ্রাম কি দিয়ে দেওয়া হয়েছে? আমেরিকার বিষয়ে এরা একটি কথাও বলে না। কারণ আমেরিকার কাছে এরা বিক্রি হয়ে গেছে।
দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। বাংলাদেশ কি এখন আমেরিকার উপনিবেশ রাষ্ট্র? – এই প্রশ্ন আজ প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের।

কার হাতে নিরাপদ? (BNP)
বারবার প্রমাণ হয়েছে, স্বাধীন সোনার বাংলাদেশ সুরক্ষিত এবং নিরাপদ ছিল আওয়ামী লীগের হাতেই। শেখ হাসিনার সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চলেছে। “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়” – এই নীতিতেই দেশ এগিয়েছে।
কিন্তু আজ সেই পথ থেকে সরে গিয়ে দেশকে একতরফা নির্ভরশীল করা হচ্ছে। এতে লাভ কার? অবশ্যই বিদেশি প্রভুদের। ক্ষতি কার? ১৮ কোটি বাংলাদেশের মানুষের।
শেষ কথা: জনগণই ফয়সালা দেবে
প্রিয় দেশবাসী, দেশের সর্বস্তরের জনগণ আপনারা বিবেচনা করুন। স্লোগান দিয়ে পেট ভরে না, মিথ্যা দিয়ে রাষ্ট্র চলে না।
“সবার আগে বাংলাদেশ” বলা মানুষগুলোই আজ বাংলাদেশকে সবার শেষে ফেলে দিচ্ছে। আর “সবার আগে আমেরিকা” করছে।
সময় এসেছে মুখোশ খুলে দেওয়ার। সময় এসেছে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর। নইলে এই বাংলাদেশ, এই পতাকা, এই মানচিত্র – সবই হুমকির মুখে পড়বে।
আমরা চাই না বাংলাদেশ কারো উপনিবেশ হোক। আমরা চাই স্বাধীন, সার্বভৌম, মর্যাদাশীল বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা শুধু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরই আছে।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/09/01/donald-trump-17/


