Nabanna
Nabanna

Nabanna: নবান্নে বাধ্যতামূলক ফেস রিকগনিশন বায়োমেট্রিক হাজিরা: সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশিকা অর্থ দফতরের

Bengal Liberty: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপস্থিতির রেকর্ড সংরক্ষণের লক্ষ্যে এক নজিরবিহীন ও অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। ১৫ জুন থেকে রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক সদর দফতর ‘নবান্ন’-এ কর্মরত সমস্ত স্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের জন্য ‘ফেস রিকগনিশন বায়োমেট্রিক’ (Face Recognition Biometric) উপস্থিতি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। শুধু নবান্নই নয়, রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ৩১শে জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে পশ্চিমবঙ্গের বাকি সমস্ত সরকারি দফতরকেও এই আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতাভুক্ত করা হবে (Nabanna)।

 

Nabanna
Nabanna

কর্মীদের কাজে গতি ফেরাতে উদ্যোগী নবান্ন (Nabanna)

গত ২রা জুন, ২০২৬ তারিখে রাজ্য অর্থ দফতরের অডিট শাখার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত মুখ্য সচিব প্রভাত কুমার মিশ্রের স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারকলিপি জারির মাধ্যমে এই নতুন নিয়মাবলী ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের এই কড়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের সামান্য এদিক-ওদিক হলেই কর্মীদের প্রাপ্য ছুটি বা ক্যাজুয়াল লিভ (CL) কাটা যাবে (Nabanna Security)।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, দফতরের বিভাগীয় প্রধান বাদে সমস্ত স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিদিন অফিসে প্রবেশের সময় এবং অফিস থেকে বের হওয়ার সময় বাধ্যতামূলকভাবে এই ফেস রিকগনিশন ডিভাইসে হাজিরা নথিভুক্ত করতে হবে। প্রতিদিন সকাল ১০:১৫ মিনিট থেকে বেলা ১১:০০ টার মধ্যে অফিসে পৌঁছালে তা ‘দেরি’ বা ‘লেট’ (Late) হিসেবে গণ্য করা হবে। আর কোনো কর্মী যদি বেলা ১১:০০ টার পর অফিসে আসেন, তবে ওই দিনের জন্য তাঁকে সম্পূর্ণ ‘অনুপস্থিত’ (Absent) বলে ধরে নেওয়া হবে। একইভাবে, বিকেল ৫:১৫ মিনিটের আগে অফিস থেকে বেরিয়ে গেলে তা ‘আগে প্রস্থান’ বা ‘আর্লি ডিপার্চার’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি আসতে চলেছে ছুটির নিয়মে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যদি কোনো কর্মী একই দিনে দেরিতে আসেন এবং সময়ের আগে চলে যান, তবে সেদিন তিনি ‘অফিসে অনুপস্থিত’ বলে গণ্য হবেন এবং সরাসরি তাঁর এক দিনের ক্যাজুয়াল লিভ কেটে নেওয়া হবে। এছাড়া, যদি কোনো কর্মী অফিস ছাড়ার সময় বায়োমেট্রিক হাজিরা না দেন, তাহলেও তাঁকে অনুপস্থিত ধরা হবে। ক্যালেন্ডার মাসের প্রতি তিনটি ‘দেরি’ বা ‘আগে প্রস্থান’-এর জন্য কর্মীদের এক দিনের সিএল (CL) অথবা সিসিএল (CCL) কাটা যাবে। ডব্লিউবিএসআর (পার্ট-১)-এর ১৫ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কর্মীরা সার্বক্ষণিকভাবে সরকারের অধীনস্থ, তাই জরুরি প্রয়োজনে অফিস সময়ের পরেও তাঁদের পরিষেবা দিতে হবে। তবে অফিশিয়াল মিটিংয়ের কারণে দেরির ক্ষেত্রে অফিসের প্রধানরা বিশেষ ছাড় দিতে পারবেন। প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: অভিষেককে কোনওদিন নেতা মানিনি, মানব না! ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা বেছে নিয়ে বললেন তৃণমূল বিধায়ক

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury