Chakulia BDO office attack
উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চাকুলিয়ায় (Chakulia) এসআইআর (SIR) শুনানির বিরোধিতায় বিক্ষোভ চলাকালীন মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি (Mahatma Gandhi statue) (Chakulia Gandhi statue vandalism) ভাঙার ঘটনা সামনে এসেছে। ধড় থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে জাতির জনকের মূর্তির মাথা। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত সেই ভাঙা মাথা মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেলেও, শুক্রবার সকাল থেকে সেটিও নিখোঁজ হয়ে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। প্রথমে ফারাক্কা ও পরে বৃহস্পতিবার চাকুলিয়ার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি সরগরম। তবে শুক্রবার সকাল থেকেই থমথমে পরিবেশ চাকুলিয়ায় (Chakulia)।

ঘটনার বৃত্তান্ত
রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে বৃহস্পতিবার চাকুলিয়ার একাধিক এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, এসআইআরের শুনানির (SIR hearing) প্রতিবাদে চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে হামলা (Government office vandalised) , ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশ। ইটের আঘাতে মাথা ফাটে ইসলামপুর থানার আইসি রাজু সোনার। তার পাশাপাশি আক্রান্ত হয় আরও ৬ পুলিশকর্মী। তারপরই উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে (DEO) এফআইআর (FIR) দায়েরের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন (Election commission)। তবে চাকুলিয়া (Chakulia Gandhi statue vandalism)থানায় লিখিত অভিযোগ জানান বিডিও।

গ্রেফতারির পরিসংখ্যান
বিডিও অফিসে (BDO Office) ভাঙচুর ও তাণ্ডবের(Chakulia Gandhi statue vandalism) ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে জমা পড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে খবর, চাকুলিয়ায় প্রথম দফার শুনানির পরেও একাধিক ত্রুটির অভিযোগ ওঠে। তার পরেই নির্বাচন কমিশনের তরফে শুধুমাত্র চাকুলিয়া ব্লকেরই অন্তত ৬৯ হাজার ভোটারকে পুনরায় শুনানিতে তলব করা হয়। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করেই ক্ষোভ ছড়ায় একাধিক এলাকায়, যা বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের (Chakulia Gandhi statue vandalism) রূপ নেয়।

বিডিওর অভিযোগ
বিডিও জানিয়েছেন, চাকুলিয়ায় তাঁর দফতরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র নষ্ট করা হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের (Chakulia Gandhi statue vandalism) আটকানোর চেষ্টা করলে তাদের উপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভকারী জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করে। পাশাপাশি দফতরের ভিতরে ঢুকে বৈদ্যুতিন যন্ত্র থেকে চেয়ার-টেবিল সব ভেঙে ফেলে। নথি নষ্ট করে।
