Israel attacks tehran oil refianery
Bengal Liberty Desk :
যুদ্ধের নবম দিনেও একই ছবি—হামলা পাল্টা হামলা দুই তরফ থেকেই( Israel attacks tehran oil refianery)। এবার যুদ্ধে যুক্ত হলো নতুন একটি দিক। ইউএই ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের রাজধানী তেহরান শহরে তেলের স্টোরেজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের হামলার এমনই প্রভাব বাহরাইন এর জলের প্ল্যান্টগুলিতেও টের পাওয়া গেছে। এই হামলার দরুন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এই হামলার কথা ইসরায়েল শিখার করেছে ।

ট্রাম্পের খোঁড়া ওয়ার্নিং Israel attacks tehran oil refianery
ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি—৪ থেকে ৫ সপ্তাহের মধ্যেই ইরানকে শেষ করে দেওয়া হবে। এরপরের টার্গেট যে কিউবা হবে তা ইতিমধ্যেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়বে বলেই জানানো হচ্ছে।
হড়মুজ প্রণালী বন্ধ এর জেরে সমস্যা
হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেলবাহী জাহাজ একের পর এক আটকে আছে। তার মধ্যে ইরানের সৌদি আরবের সবথেকে বড় তেল রিফাইনারি আরামকো তে জোরদার হামলার জেরে আপাতত বন্ধ আছে আরামকো। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ। গ্যাসের মার্কেট কাতার নিয়ন্ত্রণ করে, তারপরে দ্বিতীয় স্থানে আমেরিকা। কাতারে ইরানের হামলার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে কাতারের সরকার। সেই কারণেই ভারত ও ইউরোপীয় দেশগুলিতেও ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ভারত ও বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলি।
ইরানের রাষ্ট্রপতির বার্তা :
ইরানের রাষ্ট্রপতির সোজা সাপ্টা উত্তর ,“ আমরা হার মানব না। ইরান আমেরিকা ও ইসরায়েলের সামনে কখনোই মাথা নত করবে না। শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালাব, এর শেষ দেখেই ছাড়ব।”
মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্পষ্ট দাবি, :
ইরানকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে। এ ছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা নেই।” দাবি-পাল্টা দাবির মধ্যেই একবার দেখে নেওয়া যাক তেলের বাজারে কী চলছে।
.
🚨 THE US AND ISRAEL JUST BOMBED A MAJOR OIL DEPOT IN IRAN.
After the airstrike, oil spilled from the depot into the streets, entered the sewers and drainage systems, then caught fire, creating walls of flame on the highway of Tehran.
This was the first major hit on Iran’s oil… pic.twitter.com/M2Mhs1EVtG
— Bull Theory (@BullTheoryio) March 8, 2026
তেলের বাজারে ওঠা-পড়া
যুদ্ধ আন্তর্জাতিক বাজারে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি এক লাফে অনেকটাই বেড়েছে তেলের দাম। আগের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তেল। ব্রেন্ট ক্রুদে এর দাম এখন প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার, যা আগে ছিল ৭২ ডলার। তার সঙ্গে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় ঘুরপথে তেলবাহী জাহাজ আনতে হচ্ছে। সেই কারণেও প্রায় ২০ শতাংশ দাম বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি এইভাবেই যুদ্ধ চলতে থাকে তাহলে ৯০ ডলারকে টপকে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে। তখন প্রতি ব্যারেল ১৩০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এমনকি ২০০ ডলার হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ এমনিতেই তেলের বাজারে ওঠানামা লেগেই আছে। তার মধ্যে যুদ্ধের জন্য তেলের ঝাঁজ আরও বেড়েছে। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
