Strait of Hormuz
Bengal Liberty, ৩ মে :
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে মধ্যপ্রাচ্যের ভয়ঙ্কর যুদ্ধ (Strait of Hormuz)। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পর পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ইজরায়েল, আমেরিকা বনাম ইরানের যুদ্ধ নতুন নতুন সমীকরণ দেখেছে। কখনও যুদ্ধবিরতি, কখনও আবার শান্তি বৈঠক, কখনও আবার ঘোষণা করা হয়েছে ৪ থেকে ৫ সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু এতগুলো দিন কেটে যাওয়ার পরও যুদ্ধ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। নতুন করে আবার হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে পরিস্থিতি সমানে উত্তপ্ত হচ্ছে। কিন্তু এরই মধ্যে ফের কূটনৈতিক চাল দিয়েই বাজিমাত করল কেন্দ্রের দুই স্তম্ভ নরেন্দ্র মোদি ও এস জয়শঙ্কর (Strait of Hormuz)।

ফের হরমুজ পেরোল ভারতের এলপিজি জাহাজ (Strait of Hormuz)
হরমুজ প্রণালীতে তীব্র অশান্তির জেরে এলপিজি ব্যবস্থায় মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে। দামের বৃদ্ধি, সহজে গ্যাসের সরবরাহ-সবকিছুই ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়েছে। কিন্তু এই সব বাধা কাটিয়ে ১৮ জন ভারতীয় নাবিক-সহ ভারতমুখী এলপিজি বাহক জাহাজ ‘এমটি সর্ব শক্তি’ শনিবার নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। সরকারি সূত্রের খবর, জাহাজটি ১৩ মে বিশাখাপত্তনম বন্দরে পৌঁছাতে পারে।
ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার নৌবাহিনীর বেনজির বিক্ষোভ প্রদর্শনী। এরই মধ্যে ভারতীয় জাহাজের সফলতার সঙ্গে হরমুজ পেরোনো গোটা বিশ্বের কাছে বড় বার্তা দিচ্ছে। যেখানে সবাই যুদ্ধ ছাড়া আর কিছুই বোঝে না, সেখানে ভারতের কূটনৈতিক আলোচনার মধ্য দিয়েই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে।

বন্দরে কড়া নজরদারি (Strait of Hormuz)
কেন্দ্রীয় বন্দরের আপডেট অনুযায়ী, ১৮ জন ভারতীয় নাবিককে নিয়ে বিশাখাপত্তনমের দিকে আসছে এলপিজি জাহাজ। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নাবিকদের ভাল-মন্দ নিশ্চিত করতে বিদেশ মন্ত্রক এবং বিদেশে থাকা ভারতীয় মিশনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় রাখছে দিল্লি।
সফলতার নজির (Strait of Hormuz)
মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২,৯২২ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত একদিনেই ফিরেছেন ৩০ জন। তার সঙ্গে আরও অনেককেই দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা চলছে। যুদ্ধের নিস্পত্তি কবে হবে এই নিয়েই তুঙ্গে জল্পনা। যুদ্ধ বিরতির মধ্যেই লেবাননের উপর ইজরায়েলের হামলা হোক। কিংবা সমুদ্রের উত্তেজনা শেষ অবধি কবে বন্ধ হয় যুদ্ধের এই খেলা সেটাই এখন লক্ষ টাকার প্রশ্ন।
