Sheikh Hasina comeback
কলাম লেখক: নয়ন বিশ্বাস রকি
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সমাজসেবক।
ঢাকা, ১২ মে ২০২৬: একটা সময় ছিল যখন রাজপথ কাঁপতো একটাই স্লোগানে — *”ঢাকা না ওয়াশিংটন?”
উত্তর আসতো বজ্রকণ্ঠে — “ঢাকা, ঢাকা!” (Sheikh Hasina comeback)
সেই স্লোগান ছিল আত্মমর্যাদার, সার্বভৌমত্বের, বিদেশি প্রভুদের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহসের প্রতীক। কিন্তু আজ সেই গর্জন কোথায়? কেন আজ রাজপথে সেই প্রশ্ন ওঠে না?
কারণ একটাই — নেতৃত্ব। (Sheikh Hasina comeback)
বাংলাদেশের ইতিহাস সাক্ষী, যখনই জাতি দিশেহারা হয়েছে, তখনই একজন শেখ হাসিনা হাল ধরেছেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে, সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে তিনি ফিরেছিলেন এই মাটিতে। সেদিন লাখো জনতা বলেছিল, “শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।” তিনি ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল।
আজ আবার সময় এসেছে দ্বিতীয় প্রত্যাবর্তনের।

কেন দেশের মানুষ আজও শেখ হাসিনাতেই আস্থা রাখে? (Sheikh Hasina comeback)
উন্নয়নের ম্যাজিক পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল — স্বপ্নগুলোকে তিনি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। গ্রামের কৃষক থেকে শহরের তরুণ, সবাই উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়েছে।
সংকটে অবিচল কোভিড মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা, বৈশ্বিক মন্দা — সব ঝড় সামলেছেন তিনি এক হাতে। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন, ১ কোটি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা, রিজার্ভের সুরক্ষা — এগুলো কথার কথা নয়।
মর্যাদার রাজনীতি: “ঢাকা না ওয়াশিংটন” স্লোগানটি তিনি শুধু মুখে বলেননি, কাজে প্রমাণ করেছেন। বিদেশি চাপের কাছে মাথা নত না করে দেশের স্বার্থে অটল থেকেছেন। শ্রীলঙ্কা যখন দেউলিয়া, পাকিস্তান যখন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ঘুরছে, তখন বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে — এই সাহসের নাম শেখ হাসিনা।
Suvendu Adhikari: হেমন্ত বিশ্ব শর্মার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তিনি@SuvenduWB @himantabiswa @BJP4Bengal @BJP4Assam @narendramodi @BJP4India @bengalliberty1 #westbengalcm #westbengal #westbengalnews #assam #assamnews #suvenduadhikari #himantabiswasarma #bengalliberty pic.twitter.com/f5h44kFGIy
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 12, 2026
বর্তমান বাস্তবতা ও জনআকাঙ্ক্ষা (Sheikh Hasina comeback)
আজ গ্রামগঞ্জের চায়ের দোকান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস — একটাই আলোচনা। মানুষ বলছে, “আপা থাকলে দেশ নিরাপদ।” বাজার স্থিতিশীল রাখতে, সিন্ডিকেট ভাঙতে, সাধারণ মানুষের পকেটের স্বস্তি ফেরাতে একমাত্র তিনিই পারেন — এই বিশ্বাস তৃণমূলে আকাশচুম্বী।
ষড়যন্ত্রকারীরা যতই অপপ্রচার চালাক, পদ্মা সেতুর প্রতিটি স্প্যান তাদের গালে চপেটাঘাত। তরুণ প্রজন্ম ইউটিউবে দেখে নেয় কে দেশকে ডিজিটাল করেছে, কে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছে।

দ্বিতীয় প্রত্যাবর্তন কেন জরুরি? (Sheikh Hasina comeback)
বঙ্গবন্ধু যেমন একটি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা সেই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করেছেন অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়ে। এখন দরকার সেই মুক্তিকে টেকসই করা, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ শেষ করা।
অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্যই দেশের মানুষ আজ তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। মা যেমন সন্তানকে আগলে রাখেন, তিনিও ১৮ কোটি মানুষকে আগলে রেখেছেন। তাই জনগণ বিশ্বাস করে — ঝড় আসবে, কিন্তু নৌকার কাণ্ডারি শেখ হাসিনা থাকলে এই নৌকা ডুববে না।
“ঢাকা না ওয়াশিংটন” স্লোগান আজ হয় না, কারণ প্রশ্নটাই আজ অপ্রাসঙ্গিক। শেখ হাসিনা প্রমাণ করে দিয়েছেন — সিদ্ধান্ত হবে ঢাকায়, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে। ওয়াশিংটন, দিল্লি বা বেইজিং নয় — বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের নিয়মে।
জনগণ প্রস্তুত। রাজপথ প্রস্তুত। শুধু অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের — যখন জননেত্রী আবারও বলবেন, “আমি আছি তোমাদের পাশে।
কারণ দিনশেষে একটাই সত্য: শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।✊
