Malda Police Observer Transfer:
Bengal Liberty Desk, ২৮ মার্চ: তৃণমূলের অভিযোগে সরানো হলো মালদার পুলিশ পর্যবেক্ষক জয়ন্ত কান্তকে। মালদার ৪টি কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন জয়ন্ত কান্ত। সেখান থেকেই পুলিশ পর্যবেক্ষকের ভূমিকা থেকে তাঁকে বদলি করা হল। ওই চার কেন্দ্রের নতুন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত হয়েছেন বিহার ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হৃদয় কান্ত। তাঁর বাড়ি ঝাড়খণ্ডে। তিনি বিহার ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। মালদার চার বিধানসভা কেন্দ্র-সহ মোট ৯ কেন্দ্রের পুলিশ পর্যবেক্ষক বদল করল নির্বাচন কমিশন (Malda Police Observer Transfer)।
কেন এই পদক্ষেপ (Malda Police Observer Transfer)?

অভিযোগ উঠেছে, জয়ন্ত কান্তের স্ত্রী স্মৃতি পাসওয়ান একজন বিজেপি নেত্রী। তাঁকে বহুবার বিজেপির মঞ্চে দেখা গিয়েছে। জয়ন্ত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। সেই থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। তৃণমূলের দাবি, এতে স্বার্থের সংঘাত চরমে উঠেছে। তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়েই নির্বাচন কমিশন দ্রুত এই ঘটনার নিষ্পত্তি করে। জয়ন্ত কান্তের জায়গায় নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে হৃদয় কান্তকে।
নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর (Malda Police Observer Transfer)
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি—কমিশন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, তা আবারও প্রমাণ হল। উল্টো দিকে শাসক দল বলছে—লাগাতার আন্দোলন ও চাপের ফলেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে।
তৃণমূল আবার ক্লিন বোল্ড (Malda Police Observer Transfer)
ভবানীপুর কিংবা নন্দীগ্রাম—পুলিশ বা আমলাদের ক্ষেত্রে যখনই নির্বাচন কমিশন কোনও পদক্ষেপ নিয়েছে, তখনই শাসক দলের তরফে নানা যুক্তি সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, জ্ঞানেশ কুমার বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে—যদি নির্বাচন কমিশন সত্যিই বিজেপির পক্ষ নিত, তাহলে কি মালদার ঘটনায় এত দ্রুত পদক্ষেপ নিত?
এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন আবারও প্রমাণ করলো যে সুস্থ, সুষ্ঠু ও রক্তহীন নির্বাচন করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। কার্যত নিজেদের যুক্তিতেই ‘ক্লিন বোল্ড’ হয়ে গেল শাসক দল।
আরও পড়ুন-
Supplementary Voter List TMC: ভোটের আগে বিতর্ক! তৃণমূল প্রার্থীদের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়, নিশানায় কমিশন
আরেক স্বার্থের সংঘাতের ইঙ্গিত (Malda Police Observer Transfer)
সোনারপুর দক্ষিণের প্রার্থী লাভলী মৈত্র ফের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু তাঁর স্বামী সৌম্য রায় পুলিশের ডিসি পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে সরিয়ে পুলিশের এসবি পদে নিয়োগ করা হলেও, এই ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত প্রযোজ্য কি না তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
শেষমেশ এর প্রভাব ভোটবাক্সে পড়ে কি না, সে দিকেই নজর সকলের।
