Suvendu Adhikari
Bengal liberty , 9 মে :
ব্রিগেডের মেগা মঞ্চে আজ শপথ নিলেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনীতির লড়াইয়ে তিনি যতটা কঠোর, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ঠিক ততটাই সাধারণ। বিশেষ করে তাঁর খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাপনে পুরোদস্তুর বাঙালিয়ানার ছাপ স্পষ্ট (Suvendu Adhikari)।

ছোটবেলার সেই ‘শান্ত’ ছেলেটি (Suvendu Adhikari )
মা গায়েত্রী দেবী জানিয়েছেন, ছোটবেলায় শুভেন্দু আর পাঁচটা ছেলের মতো একটু দুষ্টু থাকলেও বড় হওয়ার সাথে সাথে তিনি বেশ শান্ত হয়ে যান। তাঁর কথায়, শুভেন্দুকে কোনোদিন আলাদা করে বকাঝকা করতে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি তাঁর ছিল প্রবল টান। কলেজের জিএস (GS) হওয়া থেকে শুরু করে পুরসভার চেয়ারম্যান, বিধায়ক, সাংসদ এবং আজ রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান— এই দীর্ঘ লড়াইয়ের মাঝেও তিনি আজও পরিবারের সকলের কাছে সেই আদরের ‘মেজ ছেলে’।
Suvendu Adhikari: শপথ নিলেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী | Bengal Liberty@SuvenduWB @BJP4Bengal #SuvenduAdhikari #RNRavi #suvenduadhikaribjp #WestBengalCM #BJPGovernment #BengalLiberty pic.twitter.com/BYsC43SRvU
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 9, 2026
মুখ্যমন্ত্রীর পাতের গল্প (Suvendu Adhikari )
মাছেভাতে বাঙালি অনেকেই প্রচার করেছিলেন যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমিষ খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, কিন্তু খোদ মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় খাবারের তালিকা সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে। গায়েত্রী দেবী জানিয়েছেন, তাঁর মেজ ছেলে খেতে কোনো বাছবিচার করেন না, তবে কিছু পদ তাঁর ভীষণ প্রিয়। ইলিশ মাছের প্রতি তাঁর অমোঘ টান। বিশেষ করে ইলিশ ভাপা এবং ইলিশ ভাজা থাকলে তাঁর আর কিছুই লাগে না। গরমকালে রাতের বেলা তিনি পান্তা ভাত (জল ঢালা ভাত) এবং আলু সেদ্ধ/আলু ভাতে খেতে সবথেকে বেশি ভালোবাসেন। বাড়িতে থাকলে সকালে সাধারণত রুটি, সবজি এবং ফল দিয়েই প্রাতরাশ সারেন তিনি।তাছাড়াও ডাল, পোস্ত এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ ভাজাও তাঁর অত্যন্ত প্রিয়।

‘শান্তিকুঞ্জ’ এখন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি (Suvendu Adhikari )
কাঁথির অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলে আজ বাংলার সিংহাসনে। তাঁর মা গায়েত্রী অধিকারীর কথায়, ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছালেও শুভেন্দুর জীবনযাপন এখনো অতি সাধারণ। অকৃতদার শুভেন্দু অধিকারী পরিবারের সকলের প্রিয়পাত্র এবং শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি একজন আদর্শ ‘ফ্যামিলি ম্যান’।
রবীন্দ্রজয়ন্তীর আবহে শপথ গ্রহণের দিনে বাংলার মানুষ দেখল এক নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে, যিনি মাটির কাছাকাছি থাকতেই ভালোবাসেন। যাঁর আদর্শে একদিকে যেমন রয়েছে উন্নয়নের সংকল্প, অন্যদিকে পাতে রয়েছে চিরন্তন বাঙালিয়ানার স্বাদ।
