Bjp ministers
বেঙ্গল লিবার্টি, কলকাতা :
শপথ গ্রহণের রেশ কাটতে না কাটতেই পুরোদমে প্রশাসনিক কাজ শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্যের মধ্যে দফতর বণ্টন করা হলো। একই সাথে সরকারের লক্ষ্য ও দিশা নিয়েও কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। Bjp ministers

পাঁচ মন্ত্রীর হাতে নয়া দায়িত্ব Bjp ministers
বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, দিলীপ ঘোষকে গ্রামোন্নয়ন এবং প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারীকল্যাণ এবং পুর দফতর। নিশীথ প্রামাণিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতর। অশোক কীর্তনিয়া সামলাবেন খাদ্য দফতর। অন্যদিকে ক্ষুদিরাম টুডুকে আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পাচার ও দুর্নীতি রুখতে কড়া নির্দেশ
বৈঠকের শুরুতেই দুর্নীতির প্রশ্নে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়কদের সামনে তিনি স্পষ্ট করেন, গত ১৫ বছরের শাসনকালে যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ডালপালা মেলেছে, তা দ্রুত উপড়ে ফেলতে হবে। বিশেষ করে কয়লা, গরু এবং বালি পাচার রুখতে সংশ্লিষ্ট দফতর ও প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও আদিবাসী উন্নয়নের তহবিলে হওয়া কারচুপি নিয়েও তদন্তের ইঙ্গিত মিলেছে।
আর্থিক শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের রোডম্যাপ:
রাজ্যের বর্তমান ভঙ্গুর আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে দ্রুত উন্নয়নের কাজ শুরু করাই নতুন সরকারের মূল লক্ষ্য। অযথা সময় নষ্ট না করে জনমুখী কাজগুলো যাতে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনিক সংস্কার এবং কাজের ধরনে পরিবর্তন আনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিসভার সদস্যদের এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের এক মাসের সময়সীমা বা ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশ, এক মাসের মধ্যেই যেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন সাধারণ মানুষের চোখে পড়ে। নতুন মন্ত্রীদেরও দ্রুত জেলা সফরে গিয়ে মাঠে নেমে কাজ শুরু করার কথা বলা হয়েছে।
