Beldanga Violence Murshidabad Unrest
Bengal Liberty Desk;
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার (Beldanga, Murshidabad) অশান্তির ঘটনায় জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র তদন্তে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court)। মামলা ফেরত পাঠানো হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High court)। আজ, বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।

কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ (Beldanga Violence Murshidabad Unrest)
গত ২০ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি কেন্দ্র চাইলে এনআইএ-কে তদন্তভার দিতে পারে বলে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই ২৮ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এনআইএ-কে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করার অনুমতি দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এনআইএ তদন্তের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ (Beldanga Violence Murshidabad Unrest)
বুধবার মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এনআইএ-কে পরবর্তী শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে সিল করা খামে তদন্ত সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ওই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই ইউএপিএ (UAPA) ধারায় তদন্তের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন্দ্রের এনআইএ তদন্তের নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যে আপিল সুপ্রিম কোর্টে করা হয়েছে, সেই মামলার শুনানিও কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

ঘটনার সূত্রপাত (Beldanga Violence Murshidabad Unrest)
ঝাড়খণ্ডের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পথ অবরোধ, ভাঙচুর, ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ – পরিস্থিতি দ্রুতই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরদিনও উত্তেজনা কমেনি। টানা দু’দিনে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে আরও সামনে নিয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ নেয়। একাধিক অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়। ২২ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয় মূল চক্রী শওকত আলী আলবানিকে। পুলিশের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানিমূলক পোস্ট করে দূর থেকেই অশান্তিতে ইন্ধন জুগিয়েছিল শওকত আলী আলবানি।
