C. V. Ananda Bose on SIR
Bengal liberty, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫: বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পরেই শপথ নিয়েছিলেন বাংলা শেখার। বাংলা, বাংলা ভাষার প্রতি আগ্রহ-ভালবাসা দেখিয়েছিলেন। সরস্বতী পুজোর দিন রাজভবনে নিয়েছিলেন হাতেখড়িও। কিন্তু প্রথমদিকে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার হতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ না করলেও এনুমারেশন ফর্ম দেওয়ার একেবারে শেষ বেলায় এসে বাংলার ভোটার হতে চেয়ে আবেদন করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (Governor C.V Ananda Bose)। পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) দত্তকপুত্র হতে চান বলেও দাবি জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রের খবর, বাংলার ভোটার হতে চেয়ে সেই আবেদনপত্র লোকভবনের BLO এবং BLO সুপারভাইজারের হাতে তুলে দিয়েছেন রাজ্যপাল (C. V. Ananda Bose on SIR)।

বোসের বার্তা (C. V. Ananda Bose on SIR)
আজ, বৃহস্পতিবার ছিল SIR-এর এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই দিনেই আবেদনপত্র জমা করলেন রাজ্যপাল। জানিয়ে দিলেন, তিনি পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক হতে চান। রাজভবন থেকে বোসের বার্তা, “আজ SIR প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে, আমিও আমার কাগজপত্র জমা দেব। মানসিক ভাবে আমি পশ্চিমবঙ্গের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত। অনেক দিন ধরে এখানে আছি। বাংলার মাটির সঙ্গে আমার আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। এখানকার মানুষ, ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আমাকে টানে। আমি বাংলার দত্তকপুত্র হতে চাই। তাই এখানকার ভোটার হওয়ার কথা ভেবেছি।”
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা উল্লেখ করে রাজ্যপাল বলেন, “আমি এখানে থাকতে ভালবাসি। যে বাতাসে রবীন্দ্রনাথ শ্বাস নিয়েছেন, আমি তাতে শ্বাস নিতে ভালবাসি। নেতাজি বোস যে পথে হেঁটেছিলেন, আমিও সেই পথ দিয়ে হাঁটতে চাই। এটা আমার কাছে দারুণ সুযোগ। এ রাজ্যের ভোটার হলে পশ্চিমবাংলার সঙ্গে আমার একাত্মতার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।”
প্রসঙ্গত, কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল পদাধিকারবলে সে রাজ্যের প্রথম নাগরিক। তাই চাইলেই তিনি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভোটার হতে পারেন। লোকভবনের তরফে নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি গেলেই নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়ে যায়। সাধারণ নাগরিকের মতো খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়াও থাকে না।
