Iran US conflict
Bengal Liberty Desk: আরব দুনিয়ায় (Middle East) একের পর এক দ্রুতগতির সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ। ইরানে (Iran) কি যুদ্ধ পরিস্থিতি আসন্ন ? কাতার (Qatar) থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার (US army), একাধিক দেশে মার্কিন(Iran US conflict) কর্মীদের সতর্কতা এবং হঠাৎ ইরানের আকাশসীমা বন্ধ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে (Iran US conflict)।

কাতারে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার (Iran US conflict)
বুধবার কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেস থেকে কর্মী সরিয়ে নেয় আমেরিকা। এটি আরব দুনিয়ায় মার্কিন (Iran US conflict) যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকেন। কাতার প্রশাসনের দাবি, “বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে’ এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস সেখানকার বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে কর্মীদের যাতায়াত সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রতিবেশী দেশগুলিকে স্পষ্ট বার্তা ইরানের। তেহরান (Tehran) জানিয়ে দেয়, ইরানের ভূখণ্ডে যদি আমেরিকা(Iran US conflict) হামলা চালায়, তা হলে আরব দুনিয়ার মার্কিন ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হবে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিক বার তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

হঠাৎ বন্ধ ইরানের আকাশসীমা
উত্তেজনা চরমে যায় বৃহস্পতিবার ভোরে। হঠাৎ করেই ইরান তার আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ‘নোটিস টু এয়ারম্যান’ (NOTAM) জারি করে অধিকাংশ উড়ান বাতিল করা হয়, শুধুমাত্র কিছু অনুমোদিত আন্তর্জাতিক বিমান চালু রাখা হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, নির্দেশ জারির আগেই ইরান (Iran US conflict) ও ইরাকের আকাশ কার্যত ফাঁকা হয়ে যায়। ৫ ঘণ্টা এই বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে ইরান।
ট্রাম্পের বার্তা
ইরানের আকাশসীমা বন্ধ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরানে বিক্ষোভ দমনে যে হত্যাকাণ্ড চলছিল, তা নাকি আপাতত থামছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যদিও সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ পুরোপুরি নাকচ করেননি তিনি। তাঁর মন্তব্য, “পুরো প্রক্রিয়াটা আমরা দেখব।” পাশাপাশি জানান, ইরানের তরফে তিনি একটি ‘খুব ভাল বিবৃতি’ পেয়েছেন।
বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে(Iran US conflict) শুরু হওয়া সরকার-বিরোধী আন্দোলন এখনও থামেনি। অর্থনৈতিক সঙ্কট, রাজনৈতিক দমননীতি ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই এই বিক্ষোভ। আমেরিকা-ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন HRANA-র দাবি, এখনও পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৬১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যান্য তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
