(West Bengal administrative failure)
Bengal Liberty, Kolkata: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক গাফিলতি (West Bengal administrative failure)আবারও প্রকাশ্যে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পাঁচবার রিমাইন্ডার (West Bengal administrative failure)পাঠানো হলেও প্রয়োজনীয় অবজারভারের তালিকা জমা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তাই শেষ পর্যন্ত রাজ্যের নিষ্ক্রিয়তার জেরেই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন।
কী পদক্ষেপ?(West Bengal administrative failure)
রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা-সহ ১৫ জন আইএএস ও ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবে ট্রেনিং নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরের আধিকারিকদের এভাবে ডাকা স্পষ্ট করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার নিজের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

আইএএস ও আইপিএস অফিসারদের অন্য রাজ্যে অবজারভার হিসেবে নিয়োগ নতুন কিছু নয়। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য সরকার যদি নিয়ম মেনে সময়মতো তালিকা দিত, তাহলে কি এই পরিস্থিতি তৈরি হত? এই প্রশ্নতে কমিশন জানিয়েছে, পরিষ্কার নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষায় বারবার রাজ্যকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু প্রতিবারই তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
নামের তালিকা গঠন (West Bengal administrative failure)
এই তালিকায় রয়েছে একাধিক সিনিয়র প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকের নাম হাওড়ার সিপি প্রবীন ত্রিপাঠি, উলগানাথান, সঞ্জয় বানশাল, শুভাঞ্জন দাস-সহ আরও অনেকে। জানা গেছে আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের ট্রেনিংয়ের সময় নির্ধারিত হয়েছে। এবং কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ট্রেনিং মানেই চূড়ান্ত নিয়োগ নয়, তবে প্রস্তুতি বাধ্যতামূলক।
রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতা আজ শুধু বিতর্ক নয়, তা নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপরও প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থান একটাই বার্তা দিচ্ছে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে কোনও আপস নয়, রাজ্য সরকার গাফিলতি করলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
