Coal Smuggling Case
Bengal Liberty, Kolkata :
কয়লা পাচার মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে বিপুল অঙ্কের অর্থের লেনদেনের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED) সূত্রে দাবি, সাম্প্রতিক তল্লাশিতে বিপুল নগদ টাকা ও সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন এই সম্পদের উৎস এবং পাচার চক্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র।
তল্লাশিতে নগদ টাকা ও সোনার গয়না উদ্ধার Coal Smuggling Case
ইডি সূত্রে খবর, ধৃত চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গহনা উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি সেখান থেকে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, কয়লা পাচার চক্রের মাধ্যমে এই অবৈধ অর্থ জমা করা হয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এবং এই মামলার তদন্তে যুক্ত হয়ে অন্য এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকেও প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্ত সূত্রে দাবি।

ইডি’ র দাবি Coal Smuggling Case
ইডি আগে থেকেই দাবি করে আসছে, পশ্চিমবঙ্গের কয়লা পাচার চক্রে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা তৈরি হয়েছে এবং তা বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। তদন্তে এমন অভিযোগও উঠেছে যে কয়লা পাচারের টাকা বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে রাজনৈতিক ও অন্যান্য খাতে পৌঁছেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
পুরনো তদন্ত থেকে নতুন সূত্র Coal Smuggling Case
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে থেকেই রাজ্যে কয়লা পাচার নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছিল। রেলের বিভিন্ন সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরি ও পাচারের অভিযোগ সামনে আসার পর কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করে। এরপর ধাপে ধাপে সামনে আসে বড় নেটওয়ার্কের সম্ভাবনা।তদন্তকারী সংস্থার মতে, এখনও তদন্তের অনেক ধাপ বাকি। নতুন তথ্য সামনে এলে আরও তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ হতে পারে। ফলে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করচ্ছে তারা।
কয়লা পাচার মামলায় আর্থিক লেনদেনের জাল কতটা বিস্তৃত, তা জানতে এখন নজর তদন্তের পরবর্তী ধাপের দিকে। তদন্ত এগোলে আরও বড় তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট মহল।
