Suvendu Adhikari on OBC
Bengal Liberty, কলকাতা:
পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর ব্লকের(Suvendu Adhikari on OBC) ইশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান খুকুরানি মণ্ডল ঘোরাইয়ের ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিষয়টি সামনে এনেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে এই রায়কে “সংরক্ষণ ব্যবস্থার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন।
কলকাতা হাইকোর্ট মামলা পর্যবেক্ষণ করে জানায়, সাব-ডিভিশনাল অফিসারের (SDO) অনুসন্ধান রিপোর্টে উল্লেখ ছিল যে সংশ্লিষ্ট প্রধান ওবিসি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নন। আদালতের মতে, সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অবিলম্বে শংসাপত্র বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত ছিল। আদালত এসডিওকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

অভিযোগের প্রেক্ষাপট(Suvendu Adhikari on OBC)
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ করেছেন, ২০১৩ সালে প্রাপ্ত ওবিসি শংসাপত্রের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সংরক্ষিত আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন খুকুরানি মণ্ডল ঘোরাই। তদন্তে অসঙ্গতি ধরা পড়ার পরও প্রশাসনিক স্তরে পদক্ষেপ হয়নি।
বিরোধী দলনেতার দাবি, এই ঘটনা “বৃহত্তর অনিয়মের ইঙ্গিত” এবং সংরক্ষিত আসনে প্রকৃত দাবিদারদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রধানের পদত্যাগ ও আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

The Wheels of Justice have finally turned, exposing yet another glaring example of the Trinamool Congress’s brazen fraud and subversion of our Constitutional Reservation system.
Today, the Hon’ble Calcutta High Court, has unequivocally upheld the Sub-Divisional Officer’s finding… pic.twitter.com/5CzWCCWoAk— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) February 25, 2026
শাসকদলের অবস্থান(Suvendu Adhikari on OBC)
যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এখনও সামনে আসেনি, রাজনৈতিক মহলের মতে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া চলবে।
সব মিলিয়ে, হাইকোর্টের এই নির্দেশ রাজ্যের পঞ্চায়েত রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সংরক্ষণ নীতির সঠিক প্রয়োগ ও শংসাপত্র যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অন্দরে।
আরও পড়ুন :
Supreme Court voter list order: নির্বাচন ঘিরে তৃণমূলের স্বচ্ছতার অভাব, প্রায় ৩০–৪০ লক্ষ ভোটারের নাম ঝুঁকিতে!
