Suvendu Adhikari
Bengal Liberty Desk, ২৪ মার্চ, কলকাতা: বাংলায় মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা নতুন নয়। তবে ভোটের মুখে মূর্তি ভাঙচুর স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্যের রাজনীতিতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। এবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় দেদুয়া ব্রিজ মোড়ে স্বাধীনতা সংগ্রামী শহিদ রঘুনাথ মাহাতর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনায় সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দল। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের এক্স হ্যান্ডলে গোটা ঘটনা ব্যাখ্যা করে শাসক দলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ করে জনজাতি সমাজের সম্মান ও ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তিনি (Suvendu Adhikari)।
বাঁকুড়ার খাতড়ায় দেদুয়া ব্রিজ মোড়ে অবস্থিত চুয়াড় বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক, স্বাধীনতা সংগ্রামী শহিদ রঘুনাথ মাহাত’র মূর্তি ভাঙচুর ও বিকৃত করার জঘন্য ঘটনা ঘটেছে।
এমনিতেই এই সরকারের আমলে জনজাতি ও মূলবাসী সমাজ তাঁদের জল, জমি, জঙ্গলের অধিকার থেকে বঞ্চিত, শোষিত ও লাঞ্ছিত। তার ওপর এই… pic.twitter.com/0owROWdhEU— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) March 24, 2026
জনজাতি সম্মান নিয়ে প্রশ্ন (Suvendu Adhikari)

খাতড়ার এই ঘটনাকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, রাজ্যে ক্রমাগত জনজাতি ও মূলবাসী সমাজকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, জল, জমি ও জঙ্গলের অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার এই মানুষদের আবেগে সরাসরি আঘাত হেনেছে এই মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, এর আগেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দেবদেবীর মূর্তি, মন্দির এবং বিশিষ্ট মনীষীদের মূর্তি ভাঙচুরের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। সেই প্রেক্ষিতে রঘুনাথ মাহাতর মূর্তি ভাঙচুরকে তিনি ‘লজ্জাজনক ধারাবাহিকতার নতুন সংযোজন’ বলে কটাক্ষ করেছেন।
আরও পড়ুন (Suvendu Adhikari)-
Nandigram Ram Idol: রামমূর্তির মাথা কেটে তাণ্ডব! ভোটের মুখে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, সরব শুভেন্দু
দোষীদের গ্রেফতারের দাবি (Suvendu Adhikari)
এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং এমন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস কেউ না পায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনাও ক্রমশ বাড়ছে। সবমিলিয়ে জনজাতি সমাজের মধ্যেও বাড়ছে ক্ষোভ।
