Bihar temple stampede
Bengal Liberty, ৩১ মার্চ ২০২৬ :
মঙ্গলবারের দিনটি বিহারবাসীদের জন্য এক কালো অমঙ্গলের দিন। Bihar temple stampede মগড়া গ্রামের নালন্দায় মা শীতলা মন্দিরে হাজার হাজার ভক্ত মায়ের আশীর্বাদ নিতে এসেছিলেন। কিন্তু ঘটে গেল এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মন্দিরে হুড়োহুড়ি ও প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে ৯ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
সকাল থেকেই মন্দিরে প্রচুর ভিড় ছিল। মন্দিরের দরজা খুলতে দেরি হওয়ায় কে আগে ঢুকবে তা নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এরপরই ঘটে যায় মারাত্মক ঘটনা। পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাদের চিকিৎসা চলছে।

সরকারি ক্ষতিপূরণ :
ভয়ঙ্কর এই দিনটি বিহারবাসী সহজে ভুলতে পারবে না। ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর তহবিল থেকে আহতদের জন্য ৪ লক্ষ টাকা এবং যারা এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবারের জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে নীতিশ কুমারের সরকার।

মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বলি ৯ জন :
ঘটনাস্থলে পুলিশ জানিয়েছে – মারাত্মক ভিড়ের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং সবাইকে সহযোগিতা করছে। পুলিশ বাহিনীও অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে। দুঃখজনকভাবে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সবরকম সাহায্য করা হচ্ছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান— ” আমরা মোট ৪ জন পাটনা থেকে এসেছিলাম। মারাত্মক ভিড়ের কারণে আমরা আলাদা হয়ে গিয়েছিলাম। পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল। প্রশাসন ও সরকার আমাদের সহযোগিতা করুক—এইটুকুই আমার দাবি “।
মন্দির নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন
” মন্দির সংলগ্ন এলাকায় কোনো রকম প্রযোজ্য নিরাপত্তা ছিল না সবাই সবার উপরে পরে যাচ্ছে কোনো রকম সহযোগিতা আমাদের করা হয়নি পরিস্তিতি প্রচন্ড ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছিল “।
বোঝাই যাচ্ছে, এই অশুভ দিনের স্মৃতি বিহারবাসী খুব তাড়াতাড়ি ভুলতে পারবে না। সরকারের তরফ থেকে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে যতই চেষ্টা করা হোক, সেই ৯ জন আর ফিরে আসবেন না।
