TMC vs BJP Bhabanipur
Bengal Liberty, Kolkata: ভবানীপুরে মনোনয়ন ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি, ক্রমশ চড়ছে পারদ। আজ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে পাশে নিয়েই বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়নপত্র জমা দিলেন। সার্ভে বিল্ডিংয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি পাশে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (BJP vs TMC Clash Kolkata)।
তবে মনোনয়ন প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। মমতার বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি ক্রমশ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, মুহুর্মুহু চলে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে অশান্তির অভিযোগ (BJP vs TMC Clash Kolkata)
বিজেপির অভিযোগ, গোটা কর্মসূচি জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে রোড শো পৌঁছতেই কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল সমর্থকেরা। তার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খায় পুলিশ।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন (BJP vs TMC Clash Kolkata)
শাহের গাড়ি এলাকা ছাড়ার পরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীরা দাবি করেছেন, তাঁদের লক্ষ্য করে স্লোগান দেওয়া হয় এবং হামলার চেষ্টা করা হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনাও সামনে আসে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও। বিজেপির অভিযোগ, ” তৃণমূল মদস্থ পুলিশ কার্যত নীরব ছিলেন”। পুলিশের সামনেই বিজেপির এক কর্মীকে মারধরও করা হয় বলেও অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মীরা।

হামলায় জখম বিজেপি কর্মী (BJP vs TMC Clash Kolkata)
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে আচমকা হামলায় আহত হন এক বিজেপি কর্মী। তাঁর চোখে চোট লাগে বলে জানা গেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে সেখানেই পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিজেপির দাবি, এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—বরং রাজ্যে বিরোধীদের দমিয়ে রাখার বৃহত্তর চিত্রের অংশ। অন্যদিকে, সার্ভে বিল্ডিংয়ের গেটের সামনেও স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনা ছড়ায়। অল্প সংখ্যক তৃণমূল সমর্থক সেখানে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ।
বিজেপির তরফে দাবি, তৃণমূলের ‘ভয় দেখানোর রাজনীতি’ আর বেশিদিন চলবে না, বাংলার মানুষ তার জবাব দেবে ভোটবাক্সেই। মনোনয়ন জমা পর্বেই যদি এই ছবি সামনে আসে, তবে ভোট যত এগোবে, রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ যে আরও উত্তপ্ত হবে, তা বলাই বাহুল্য।
