metro suicide attempt
Bengal Liberty, Kolkata:
দুপুরের ব্যস্ত সময়ে আচমকাই থমকে গেল শহরের অন্যতম লাইফলাইন। কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে এক যাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা ঘিরে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, আর তার জেরেই বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে পরিষেবা। হঠাৎ এই ঘটনার ফলে পাতালপথে আটকে পড়েন বহু যাত্রী, চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় তাঁদের metro suicide attempt।

ঘটনা ঠিক কী ঘটেছিল metro suicide attempt
শনিবার দুপুর প্রায় ১টা ৬ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার ব্যস্ত কালীঘাট মেট্রো ঘটনার। মেট্রো ঢোকার ঠিক আগের মুহূর্তে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি আচমকাই আপ লাইনে ঝাঁপ দেন বলে জানা যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে স্টেশনে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয় মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও উদ্ধারকাজ
যাত্রী ঝাঁপ দেওয়ার পরই দ্রুত থার্ড লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, যাতে বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। মেট্রো কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। আহত ব্যক্তিকে দ্রুত ট্র্যাক থেকে তুলে আনার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

পরিষেবা ব্যাহত, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
এই ঘটনার জেরে প্রায় ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে মেট্রো পরিষেবা বিঘ্নিত হয়। কলকাতা মেট্রোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কলকাতা মেট্রো ট্রেন চলাচল আংশিকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মেট্রো কর্তৃপক্ষ ট্রেন চলাচল সীমিত করে দেয় — ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত,মহানায়ক উত্তমকুমার থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত।ফলে মাঝের অংশে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা। বহু ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে যায়, ফলে প্ল্যাটফর্মে ভিড় বাড়তে থাকে।
শহরের লাইফলাইনে বড় ধাক্কা
উত্তর-দক্ষিণ কলকাতাকে সংযুক্ত করা এই ব্লু লাইন শহরের অন্যতম ব্যস্ত মেট্রো রুট। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ অফিস, ব্যবসা ও অন্যান্য কাজে এই রুটের উপর নির্ভর করেন। দুপুরের ব্যস্ত সময়ে এমন ঘটনা ঘটায় যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ। অবশেষে দুপুর ১টা ২৯ মিনিট নাগাদ পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয় বলে জানানো হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে এবং আটকে পড়া যাত্রীরা গন্তব্যের দিকে রওনা দেন।
