Heavy security
Bengal Liberty , ২ মে :
নির্বাচন পরবর্তী হিংসা আটকাতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো ভারতের নির্বাচন কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয় (Heavy security)। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় Heavy security
ভোটগণনা কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কমিশন একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। ভোট-পরবর্তী স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাজ্যজুড়ে মোট ৭০০ কোম্পানি সিএপিএফ (CAPF) মোতায়েন রাখা হবে। প্রতিটি ভোটগণনা কেন্দ্রে থাকবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়াও যে সমস্ত এলাকায় অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে বিশেষ টহলদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে নিরাপত্তা আরও নিশ্ছিদ্র করতে QR-code সম্বলিত পরিচয়পত্র ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধুমাত্র অনুমোদিত কর্মীরাই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন।

আইনি কঠোরতা
কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মোকাবিলা করার জন্য ২৪ ঘণ্টা সচল একটি কমান্ড হাব তৈরি করা হয়েছে। এখান থেকেই সরাসরি নজরদারি চালাবে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচন চলাকালীন সমস্ত অসামরিক ও পুলিশ প্রশাসন কমিশনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ফলে শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলেই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে দোষীদের।
নাগরিকদের জন্য বিশেষ হেল্পলাইন
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে কমিশন। কোনো বেআইনি কার্যকলাপ বা অশান্তির খবর পেলেই হেল্পলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। টোল-ফ্রি : ১৮০০ ৩৪৫ ০০০৮ , প্রয়োজনে মেইল করতে পারেন , ই-মেইল: wbfreeandfairpolls@gmail.com , অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থান রাজ্যের ভোটারদের আশ্বস্ত করছে যে, জনাদেশ পরবর্তী সময়ে বাংলা শান্ত রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
