Bengal BJP Government
Bengal Liberty, ৯ মে :
একই দিনে বাংলার রাজনীতিতে ধরা পড়তে চলেছে দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি (Bengal BJP Government)। ব্রিগেডের মঞ্চে যখন নতুন যুগের সূচনা করে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী, ঠিক তখনই কালীঘাটের বাড়িতে অনেকটাই নিরিবিলি পরিবেশে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সদ্যপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতা হারানোর পর এটাই হতে চলেছে তৃণমূল নেত্রীর প্রথম বড় প্রকাশ্য কর্মসূচি, আর তাই রাজনৈতিক মহলেও বাড়ছে কৌতূহল। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর এবার বিরোধী আসনে বসতে চলেছে তৃণমূল। তাই এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তী শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল (Bengal BJP Government)।

কালীঘাটে ঘরোয়া আয়োজন (Bengal BJP Government)
এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তীতে আগের মতো জাঁকজমক বা আড়ম্বর থাকছে না। রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে অনেকটাই সীমিত পরিসরে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাবে তৃণমূল। কালীঘাটের বাড়িতেই আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন সদ্যপ্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। দলীয় সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় আকারের উৎসব আয়োজনের বদলে সংগঠনের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মমতার বক্তব্যে কি মিলবে নতুন রাজনৈতিক বার্তা? (Bengal BJP Government)
যদিও অনুষ্ঠানটি মূলত সাংস্কৃতিক, তবুও রাজনৈতিক মহলের নজর এখন পুরোপুরি থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের দিকে। নির্বাচনে পরাজয়ের পর এই প্রথম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের কর্মী-সমর্থকদের সামনে আসছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, শনিবারের মঞ্চ থেকেই হয়তো আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। পরাজয়ের ধাক্কা সামলে নতুন আন্দোলনের বার্তা দেন কি না, কিংবা সংগঠনকে ঘুরে দাঁড়ানোর রূপরেখা তুলে ধরেন কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বাংলা রাজনীতি।
